স্পোর্টস ডেস্ক : বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) এক যুগের বেশি সময় ধরে চলছে। তবে এতোদিন পরও এখনো টুর্নামেন্টটি নিয়ে নানা ধরনের অনিয়ম ও সমালোচনা রয়েছে। বিশেষ করে ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিক সময়মতো পরিশোধ না হওয়া এবং চুক্তি বাস্তবায়নে ঘাটতির অভিযোগ বিভিন্ন আসরে বারবার সামনে এসেছে।
এই পরিস্থিতিতে বিপিএলকে আরও পেশাদার, স্বচ্ছ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছেন বিশ্ব ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশনের (ডব্লিউসিএ) সভাপতি লিসা স্থালেকার।বর্তমানে বাংলাদেশ–অস্ট্রেলিয়া সিরিজে ধারাভাষ্য দিতে ঢাকায় অবস্থান করছেন তিনি।
মিরপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে লিসা স্থালেকার বলেন, 'বিভিন্ন টি–টোয়েন্টি লিগকে মূল্যায়নের ক্ষেত্রে তাদের সংস্থা “ট্রাফিক লাইট” পদ্ধতি অনুসরণ করে। সেখানে বিপিএল এখনো পুরোপুরি ‘সবুজ সংকেত’ পাওয়ার মতো অবস্থানে নেই।
তিনি জানান, বিদেশি ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা, পেশাদার ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা এবং খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক ও চুক্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলে বিপিএল আরও শক্তিশালী হবে।
পারিশ্রমিক ইস্যুতে লিসা বলেন, 'পেশাদার ক্রিকেটে চুক্তি অনুযায়ী সময়মতো অর্থ প্রদান একটি মৌলিক দায়িত্ব। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের ক্রিকেটারদের সংগঠনগুলো আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি আরও জানান, ডব্লিউসিএ মূলত আইসিসি ইভেন্ট নিয়েই বেশি কাজ করে, তবে স্থানীয় পর্যায়ে খেলোয়াড়দের সংগঠনগুলোও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। তিনি আসন্ন বৈঠকে মোহাম্মদ মিঠুন–এর সঙ্গে খেলোয়াড় কল্যাণ ও সংগঠনের কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করবেন বলেও উল্লেখ করেন।র। বর্তমানে বাংলাদেশ–অস্ট্রেলিয়া সিরিজে ধারাভাষ্য দিতে ঢাকায় অবস্থান করছেন তিনি।
মিরপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে লিসা স্থালেকার বলেন, 'বিভিন্ন টি–টোয়েন্টি লিগকে মূল্যায়নের ক্ষেত্রে তাদের সংস্থা “ট্রাফিক লাইট” পদ্ধতি অনুসরণ করে। সেখানে বিপিএল এখনো পুরোপুরি ‘সবুজ সংকেত’ পাওয়ার মতো অবস্থানে নেই।
তিনি জানান, বিদেশি ক্রিকেটারদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা, পেশাদার ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলা এবং খেলোয়াড়দের পারিশ্রমিক ও চুক্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করা গেলে বিপিএল আরও শক্তিশালী হবে।
পারিশ্রমিক ইস্যুতে লিসা বলেন, 'পেশাদার ক্রিকেটে চুক্তি অনুযায়ী সময়মতো অর্থ প্রদান একটি মৌলিক দায়িত্ব। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের ক্রিকেটারদের সংগঠনগুলো আরও কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে।
তিনি আরও জানান, ডব্লিউসিএ মূলত আইসিসি ইভেন্ট নিয়েই বেশি কাজ করে, তবে স্থানীয় পর্যায়ে খেলোয়াড়দের সংগঠনগুলোও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। তিনি আসন্ন বৈঠকে মোহাম্মদ মিঠুন–এর সঙ্গে খেলোয়াড় কল্যাণ ও সংগঠনের কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করবেন বলেও উল্লেখ করেন।