স্পোর্টস ডেস্ক : ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপ শুরু হতে আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। ১১ জুন আয়োজক মেক্সিকো এবং দক্ষিণ আফ্রিকার ম্যাচ দিয়ে শুরু হবে ফুটবলের সবচেয়ে বড় আসর। বিশ্বকাপকে ঘিরে ইতিমধ্যেই আলোচনা তুঙ্গে। কোন তারকা সবচেয়ে বেশি গোল করবেন, তা নিয়েও চলছে জোর জল্পনা। এরই মধ্যে ফ্রান্সের অধিনায়ক কিলিয়ান এমবাপে নিজের পছন্দের কথা জানালেন। আর সেখানে লিওনেল মেসির চেয়ে ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোকে এগিয়ে রাখলেন তিনি।
এমবাপের এটি তৃতীয় বিশ্বকাপ। ২০১৮ সালে তিনি ফ্রান্সের বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য ছিলেন। ২০২২ সালে ফ্রান্স ফাইনালে উঠলেও শিরোপা জিততে পারেনি। অন্য দিকে, রোনালদো এবং মেসি দু’জনেই রেকর্ড ষষ্ঠ বার বিশ্বকাপ খেলতে নামছেন। তাই অনেকের মতে, এটাই হতে পারে তাঁদের শেষ বিশ্বকাপ। -- এই সময়
গোলের দৌড়ে রোনালদোকেই এগিয়ে রাখলেন এমবাপে ----
সম্প্রতি একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নেন এমবাপে। সেখানে তাঁকে একের পর এক ফুটবলারের নাম দেওয়া হয়। প্রশ্ন ছিল, আসন্ন বিশ্বকাপে কে বেশি গোল করবেন। প্রথমে তিনি স্পেনের তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামালকে বেছে নেন। ফ্লোরিয়ান ভির্ৎজ়, মেমফিস ডিপে, মোহামেদ সালাহ্ এবং আর্লিং হাল্যান্ডের চেয়ে ইয়ামালকে এগিয়ে রাখেন তিনি।
এর পরে নিজের ক্লাব সতীর্থ ভিনিসিয়াস জুনিয়রকে বেছে নেন এমবাপে। পরে ইংল্যান্ডে অধিনায়ক হ্যারি কেনকে পিছনে রেখে ভিনিসিয়াসকেই এগিয়ে রাখেন। তবে মেসি এবং ভিনিসিয়াসের মধ্যে একজনকে বেছে নিতে হলে তিনি মেসির নাম বলেন। কিন্তু মেসি ও রোনালদোর তুলনা আসতেই অন্য সিদ্ধান্ত নেন এমবাপে। তাঁর বিশ্বাস, ২০২৬ সালের বিশ্বকাপে মেসির চেয়ে বেশি গোল করবেন সিআর সেভেন। শেষ ধাপে যখন রোনালদো এবং এমবাপের মধ্যে তুলনা করা হয়, তখন তিনি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে নিজেকেই এগিয়ে রাখেন।
বিশ্বকাপে পরিসংখ্যানে এগিয়ে মেসি -----
ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা দুই তারকা মেসি এবং রোনালদো। দু’জনেই দীর্ঘ দিন ধরে বিশ্ব ফুটবল শাসন করেছেন। তবে বিশ্বকাপের মঞ্চে পরিসংখ্যানের দিক থেকে মেসি কিছুটা এগিয়ে।
২০২২ সালের বিশ্বকাপে মেসির নেতৃত্বেই আর্জেন্টিনা চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল। বিশ্বকাপে ২৬টি ম্যাচ খেলে তিনি ১৩টি গোল করেছেন এবং আটটি গোলে সাহায্য করেছেন। অন্য দিকে, রোনালদো পর্তুগালের হয়ে ২২টি বিশ্বকাপ ম্যাচে আটটি গোল করেছেন।
রোনালদোকে নিয়ে একটি তথ্য এখনও আলোচনা হয়। বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে তিনি এখনও কোনও গোল করতে পারেননি। এবার সেই রেকর্ড বদলানোর সুযোগ থাকবে তাঁর সামনে। পর্তুগালও চাইবে, অধিনায়ককে সামনে রেখে প্রথম বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন পূরণ করতে।