স্পোর্টস ডেস্ক : ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের চতুর্থ রাউন্ডে ব্যাটারদের চেয়ে বোলাররাই ছিলেন বেশি আলোচনায়। একই দিনে দুজন বোলার ৬টি করে উইকেট শিকার করেছেন — একজন তুলে নিয়েছেন বিরল হ্যাটট্রিকও। একনজরে দেখে নেওয়া যাক কোথায় কী হলো।
ইউল্যাব ক্রিকেট মাঠে একপেশে ম্যাচে প্রাইম ব্যাংক আগে ব্যাট করে ৩০০ রানের গণ্ডি পেরোয়। আজিজুল হাকিম (১০৭ বলে ৭৮) ও শাহাদাত হোসেন (৮৮ বলে ৭১) উদ্বোধনীতেই দলকে শক্ত ভিত দেন। শেষভাগে শামীম হোসেন ৪৫ বলে ৫১, আবু হায়দার ১৭ বলে ৪১ ও আকবর আলী ১৩ বলে ২৬ রান যোগ করলে মোট সংগ্রহ বড় হয়।
জবাবে গাজী গ্রুপের রান তাড়া কার্যত শেষ হয়ে যায় আলিস আল ইসলামের দাপটে। ২২তম ওভারের শেষ দুই বলে পরপর দুটি বোল্ড, পরের ওভারের প্রথম বলে আরেকটি ক্যাচ আউট — এভাবেই সম্পন্ন হয় ডিপিএলের এই মৌসুমের অন্যতম আলোচিত হ্যাটট্রিক।
আগের ম্যাচেই পাঁচ উইকেট নিয়েছিলেন মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী — এবার একধাপ আরও এগিয়ে একাই নিলেন ৬ উইকেট। তাঁর বিধ্বংসী স্পেলে বসুন্ধরা স্ট্রাইকার্স মাত্র ২৩.৫ ওভারে ৮০ রানে গুটিয়ে যায়। রিশাদ হোসেন ও সাইফ উদ্দিন বাকি দুটি উইকেট ভাগ করে নেন।
মাত্র ৮০ রানের লক্ষ্য সামনে রেখে ওপেনিং জুটিতেই কাজ সারেন মোহামেডান। এনামুল হক ২৮ বলে ৫০ (৬ চার, ৩ ছক্কা) ও মোহাম্মদ নাঈম ২১ বলে ৩১ রান করলে একটি উইকেটও না হারিয়ে জয় নিশ্চিত হয়।
বিকেএসপিতে মাহফুজুর রহমানের ৫ উইকেটে রূপগঞ্জ ১৪০ রানে থামে। লক্ষ্য তাড়ায় সৌম্য সরকার (৭৬ বলে ৬৫) ও জাকের আলী (৪০ বলে ৪৪) দলকে সহজ জয়ে পৌঁছে দেন। বল ও ব্যাট দুদিক থেকেই ছাপ রেখেছেন মাহফুজুর — ৮ বলে ১৩ রানও করেছেন তিনি।
বসুন্ধরা স্পোর্টস কমপ্লেক্সে ওপেনার মাহফিজুল ইসলামের ১৩৮ বলে ১২৭ রানের ইনিংসে ভর করে অগ্রণী ব্যাংক ৭ উইকেটে ২৯৩ রান তোলে। লক্ষ্য তাড়ায় ৩৪.১ ওভারে ৬ উইকেটে ১৪৫ রানে থাকা অবস্থায় বৃষ্টিতে খেলা বন্ধ হলে ডিএলএস নিয়মে জয় পায় অগ্রণী।
বিকেএসপিতে গুলশান ৪৬.৪ ওভারে ১৭৮ রানে গুটিয়ে গেলে লেপার্ডের হয়ে সৈকত আলী (৯০ বলে ৮৮) ও ইফতেখার হোসেন (৬৬ বলে ৪৬) মিলে রান তাড়া সহজ করে দেন।
সিটি ক্লাব ২০৪ রানে অলআউট হওয়ার পর ব্রাদার্সের পেসার গোলাম কিবরিয়া পেয়েছিলেন ৫ উইকেট। লক্ষ্য তাড়ায় সিটি ক্লাব ৪ উইকেটে ১৫০ রানে পৌঁছালে বৃষ্টি এসে থামিয়ে দেয়, ডিএলএস নিয়মে জয় ব্রাদার্সের।