নিজস্ব প্রতিবেদক: পাকিস্তানের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্টের প্রথম দিনটি দারুণ কাটিয়েছে বাংলাদেশ। বলা যায় দোর্দণ্ড প্রতাপে কাটিয়েছে।
এদিন পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডের চেয়ারম্যান ও স্বরাস্ট্রমন্ত্রী মহসিন নাকভী দিনের শেষ সেশনে মীরপুর মাঠে এসেছিলেন। তিনি কিছুক্ষণ খেলাও দেখেছেন।
এদিন শট বাছাই, টেম্পারম্যান্ট, পুল, স্পিনে চড়াও হওয়া এক ইনিংস খেললেন নাজমুল হোসেন শান্ত। সেই সাথে মুমিনুল হকের ৯১। সব মিলিয়ে প্রথম দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ৪ উইকেট হারিয়ে ৩০১ রান।
মিরপুর শের-ই-বাংলায় টস জিতে আগে বাংলাদেশকে ব্যাটিংয়ে পাঠান পাকিস্তান কাপ্তান শান মাসুদ। দলীয় ৩১ রানের মধ্যে ২ টাইগার ওপেনারকে ফিরিয়ে সেই সিদ্ধান্তের যথার্থতা প্রমাণ করেন শাহিন শাহ আফ্রিদি ও হাসান আলী।
এরপরের গল্প শান্ত ও মুমিনুলের। পাকিস্তানি বোলারদের দারুণভাবে সামাল দিয়েছেন তারা। দুজনেই করেছেন দায়িত্বশীল ব্যাটিং। সফরকারী বোলারদের বাজে বল পেলেই করেছেন শায়েস্তা। ১২৯ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন শান্ত। তবে এরপরই ফেরেন তিনি। রিভিউ নিয়ে সফল হয়ে পাকিস্তান। শান্তর ১০১ রানের ইনিংসটিতে ছিল ১২ বাউন্ডারির পাশাপাশি ২টি ছক্কার মার।
তবে হতাশা নিয়ে ফিরেছেন মুমিনুল। ৯১ রান করে নোমান আলীর বলে হয়েছেন এলবিডব্লিউ। ২০২৪ সালের অক্টোবরে সবশেষ সেঞ্চুরি করেছিলেন মুমিনুল। মাঝে ৮টি পঞ্চাশোর্ধ রানের ইনিংস খেললেও পারেননি তিন অঙ্ক স্পর্শ করতে।
পাঁচে নেমে মুশফিকুর রহিম খেলেছেন 'মুশফিক' সুলভ ইনিংস। দ্রুত ২ উইকেট হারানোর পর ইনিংস মেরামতের দায়িত্ব নিয়েছেন। প্রথম দিন শেষে ১০৪ বলে ৪৮ রানে অপরাজিত আছেন ডানহাতি এ ব্যাটার। তাকে সঙ্গ দেওয়া লিটন দাসের রান অপরাজিত ৮। পাকিস্তানের হয়ে শাহিন শাহ আফ্রিদি, হাসান আলী, মোহাম্মদ আব্বাস ও নোমান আলী।