শিরোনাম
◈ বাজেট অধিবেশন ঘিরে সংসদ ভবন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ ◈ এশিয়ান গেমস ক্রিকে‌টে বাংলা‌দেশসহ ১০ দল চূড়ান্ত, অ‌ক্টোব‌রে খেলা হ‌বে জাপা‌নে  ◈ গ‌্যাংস্টার দাউদ ইব্রাহিমের হুম‌কি‌তে আ‌মি প্রস্রাব ক‌রে দেই, আইপিএলের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা শোনালেন ললিত মো‌দি ◈ আগস্টে ইউপি নির্বাচনের তফসিল, আচরণবিধিতে আসছে বড় পরিবর্তন ◈ হামে ও উপসর্গে মৃত্যু বেড়ে ৬১০, ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেল আরও ৫ শিশুর ◈ পাহাড়ি অঞ্চলে সফল আর্লি ওয়ার্নিং মডেল: আগাম সতর্কবার্তায় কমছে প্রাণহানি, ভূমিধস মোকাবিলায় নতুন আশার আলো ◈ মার্কিন ভিসা আবেদনকারীদের সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল ‘পাবলিক’ রাখার নির্দেশ দিয়েছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস ◈ মিথ্যা কাহিনি ও জাল কাগজে অ্যাসাইলাম, হাজারো আবেদন বাতিলের হুঁশিয়ারি ◈ ট্রাম্পের অকথ্য ভাষায় গালাগাল প্রসঙ্গে নেতানিয়াহুে এবার যা বললেন ◈ মধ্যপ্রাচ্যের যে ১৪ দেশে নতুন সতর্কতা জারি করল যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশিত : ০৩ জানুয়ারী, ২০২৬, ১০:০৫ দুপুর
আপডেট : ২৮ মে, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অ‌স্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার খাজা বললেন, আমি গর্বিত মুসলিম 

স্পোর্টস ডেস্ক : আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিয়েছেন উসমান খাজা। অ্যাশেজের শেষ টেস্ট খেলার পর ব্যাড-প্যাড তুলে রাখবেন পাকিস্তানি বংশোদ্ভুত এ অজি ক্রিকেটার। অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম কিংবদন্তি ক্রিকেটার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন খাজা।

অথচ অজিদের হয়ে খেলার জন্য অনেক বাধা বিপত্তি উপেক্ষা করতে হয়েছে তাকে। ক্যারিয়ারে অনেকটা সময় বণবাদী আচরণের স্বীকার হতে হয়েছে খাজা ও তার পরিবারকে। তারপরও দমে যাননি খাজ। বরং নিজেকে অন্যদের জন্য অনুপ্রেরণা হিসেবে দেখছেন তিনি। ---- ডেই‌লি ক্রিকেট

আগামী রোববার সিডনি টেস্ট হবে খাজার অস্ট্রেলিয়ার জার্সিতে শেষ ম্যাচ। তার আগে আজ সংবাদ সম্মেলনে এসেছিলেন এ ব্যাটার। সেখানেই ক্রিকেটের প্রসঙ্গ ছাপিয়ে নিজের সাথে ঘটে যাওয়া বর্ণবাদী আচরণ নিয়েই কথা হলো বেশি।

খাজা বলেন, ‘আমি একজন গর্বিত মুসলিম, পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ছেলে, যাকে বলা হয়েছিল সে কখনো অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট দলের হয়ে খেলতে পারবে না। এখন আমাকে দেখুন—আপনিও এখন আমার মতো একইরকম করতে পারেন।’

খুব ছোটবেলায় ইসলামাবাদ থেকে অস্ট্রেলিয়ায় অভিবাসী হন খাজা। তারপর নানা বাধা বিপত্তির পর অস্ট্রেলিয়া জাতীয় দলের হয়ে সুযোগ পান তিনি। তবে সাম্প্রতিক সময়ে ফর্মটা তার ভালো যাচ্ছিল না। 

সেই সাথে মন্ডাই বিচে হামলার পর  অস্ট্রেলিয়ায় ‘ইসলামফোবিয়া’ ও ‘অ্যান্টি-ইসলাম’ মনোভাব হঠাৎ করেই বেড়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে খাজার ওপরেও। তার প্রতি অস্ট্রেলিয়ানদের ক্ষোভ অনেকটাই বেড়ে যায়। এছাড়াও ফিলিস্তিনিদের হয়ে কথা বলায় অনেকের বিরাগভাজন হন খাজা। তারপরও অস্ট্রেলিয়ার হয়ে খেলায় নিজেকে ভাগ্যবান মনে করেন খাজা।

তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে বড় অনুভূতি হলো সন্তুষ্টি। আমি খুব ভাগ্যবান যে অস্ট্রেলিয়ার হয়ে এত ম্যাচ খেলতে পেরেছি, যেভাবে করেছি। আশা করি, এই পথে আমি অন্যদের অনুপ্রাণিত করতে পেরেছি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়