শিরোনাম
◈ বাড়তি মার্কিন শুল্ক কার্যকর হলে রপ্তানিতে বড় ধাক্কার আশঙ্কা ◈ শেখ হাসিনার পক্ষের দাবি নাকচ, জুলাই অভ্যুত্থান প্রতিবেদনের পাশে জাতিসংঘ ◈ কারামুক্ত হলেন সাবেক মেয়র আইভী ◈ দিল্লির আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ২১; আহতদের মধ্যে ৫ বাংলাদেশি ◈ ‘আসল’ তৃণমূলের নিয়ন্ত্রণ ঋতব্রতের হাতে, মমতাকে উপদেষ্টা হওয়ার প্রস্তাব ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের ওয়ান‌ডে দল ঘোষণা, মিরাজ অ‌ধিনায়ক ◈ বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ তুলে নিল সরকার ◈ হাজিদের লাগেজ চুরি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস ধর্মমন্ত্রীর ◈ ৩০০ দিনে ১৭ দেশ পেরিয়ে আর্জেন্টিনার ক্যাম্পে ৩ ভক্ত সাইক্লিস্ট  ◈ হাদি ইস্যুতে মমতার মন্তব্য; যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী (ভিডিও)

প্রকাশিত : ২৪ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১১:০৫ দুপুর
আপডেট : ২৭ মে, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম স্থগিত না করতে ড. ইউনূসকে মার্কিন পাঁচ আইনপ্রণেতার আহ্বান

বাংলাদেশে চলমান সংকটের প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের পাঁচজন আইনপ্রণেতা অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে চিঠি লিখে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগের সব ধরনের রাজনৈতিক কার্যক্রম সম্পূর্ণভাবে স্থগিত করার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন। ওই পাঁচ আইনপ্রণেতা হলেন গ্রেগরি ডব্লিউ মিক্স, বিল হুইজেঙ্গা, সিডনি কামলাগার-ডোভ, জুলি জনসন এবং থমাস আর সুয়োজ্জি।

চিঠিতে তারা বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলো রাজনৈতিক বৈচিত্রের জন্য সব দলের সঙ্গে কাজ করা, যাতে অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের উপযোগী পরিবেশ তৈরি হয়। সেই সঙ্গে এমন সংস্কার প্রয়োজন, যা রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর নিরপেক্ষতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা পুনরুদ্ধার করবে- যাতে বাংলাদেশের জনগণ ব্যালট বাক্সের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে তাদের মত প্রকাশ করতে পারে।

কিন্তু কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যক্রম স্থগিত করা হলে কিংবা ত্রুটিপূর্ণ আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আবার চালু করা হলে- এমন পরিস্থিতিতে এসব লক্ষ্য অর্জন সম্ভব নয় বলে আমরা উদ্বিগ্ন। এক্সে হাউস ফরেন অ্যাফেয়ার্স কমিটি ডেম-এর ভেরিফায়েড একাউন্টে ওই চিঠি পোস্ট করা হয়েছে। এতে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পর্যবেক্ষণের কথা উল্লেখ করে আইনপ্রণেতারা বলেন, বাংলাদেশে ২০১৮ ও ২০২৪ সালের নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু ছিল না।

তাদের মতে, যদি একটি রাজনৈতিক দলকে নিষিদ্ধ করা হয়, তাহলে পরবর্তী নির্বাচনও অবাধ ও নিরপেক্ষ হওয়ার সুযোগ থাকবে না। চিঠিতে আরও বলা হয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সহ বহু আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক উল্লেখ করেছেন যে ২০১৮ ও ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু ছিল না। এছাড়া চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশিত জাতিসংঘ মানবাধিকার হাইকমিশনারের দপ্তরের একটি তথ্যানুসন্ধানী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই ও আগস্টে বিক্ষোভ চলাকালে নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে প্রায় ১৪০০ মানুষ নিহত হয়েছেন। এসব ঘটনার জন্য প্রকৃত জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে- যা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতিফলন ঘটাবে, প্রতিশোধের চক্রকে আরও দীর্ঘায়িত করবে না।

আইনপ্রণেতারা বলেন, আইনের যথাযথ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যাদের বিরুদ্ধে অপরাধ বা গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে, কেবল তাদের বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেয়ার বদলে কোনো একটি রাজনৈতিক দলের সম্পূর্ণ কার্যক্রম স্থগিত করার সিদ্ধান্ত মৌলিক নীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক। চিঠিতে আরও বলা হয়, আমরা আশা করি, আপনার সরকার কিংবা ভবিষ্যতে নির্বাচিত কোনো সরকার এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবে।

শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশের জনগণের অধিকার আছে এমন একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে অংশ নেয়ার, যেখানে সব রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করতে পারবে এবং জনগণের কণ্ঠস্বর যথাযথভাবে প্রতিনিধিত্ব পাবে। আইনপ্রণেতারা আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। আমরা আগামী মাসগুলোতে আপনার সরকার এবং বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক রূপান্তর প্রক্রিয়াকে সমর্থন দিতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার জন্য একসঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত। সূত্র: মানবজমিন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়