শিরোনাম
◈ হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ইসরায়েলি শীর্ষ কর্মকর্তা ◈ ৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফে অসন্তোষ, বিইআরসিকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ মন্ত্রণালয়ের ◈ ‘আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’, মায়ের মৃত্যু নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বুয়েট অধ্যাপক ◈ কুমির সরিয়ে নেওয়া ঠিক হয়নি, মাজারের দিঘিতে ফেরত চাইলেন খাদেম ◈ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ বিশ্বকাপ মোবাইলে খেলা দেখবেন যেভাবে ◈ ইরান অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা, আর ধারাবাহিক হামলা চালাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র: রুবিও ◈ স্বামী-সন্তান কানাডা প্রবাসী, সেই মিরপুরেই মিলল আরেক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ ◈ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সীমান্তে বিএসএফের ১০টি পুশইন অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ◈ অবশেষে পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান

প্রকাশিত : ০৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৬:২০ সকাল
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বডি ক্যামেরার ভিডিও ফাঁস হওয়া নিয়ে যা বললেন সায়ের

ঢাকা-১৭ আসনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা. এস এম খালিদুজ্জামান সম্প্রতি রাজধানীর ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় গানম্যান নিয়ে প্রবেশের সময় সেনা সদস্যদের সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ান। এমন একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। অনুসন্ধানী সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের প্রথমে তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশ করেন।

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর জামায়াত প্রার্থীর এমন আচারণের সমালোচনা করেন অনেকে।

অন্যদিকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর বডি ক্যামেরার গোপন ভিডিও কিভাবে ফাঁস হয়ে গেল? এমন প্রশ্ন করেছেন অনেক রাজনীতিবিদ।

বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন সাংবাদিক জুলকারনাইন সায়ের। তিনি এক ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, আগে যেভাবে পুলিশের আভ্যন্তরীণ রেডিও বার্তা ফাঁস হতো, সেনানিবাসের এমপি চেকপোস্টের ভিডিওটাও সেভাবেই ফাঁস হয়েছে। পার্থক্য হলো তখন এসব যাদের কাছে হালাল বলে মনে হতো, তাদের কাছে এখন একই ধরনের গোপন তথ্য ফাঁস হারাম বলে মনে হচ্ছে।

তথ‍্য কিন্তু ঠিকই আছে, খালি হালালটা হারাম হইয়া গেছে আরকি।

এর সঙ্গে তিনি ২০২৩ সালের ২৯ অক্টোবর একটি পুরনো ভিডিও পোস্ট শেয়ার করেন। যার ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, গতকাল বিএনপির মহাসমাবেশে দায়িত্ব পালন করেছেন নিরাপত্তা সংস্থার এমন একজন সদস্যের বয়ানে সংঘর্ষের নেপথ্যে। তীব্র সংঘর্ষের সময়ে পুলিশের আইজি (কলসাইন ভিক্টর ৬) এর পক্ষ থেকে বার বার জানতে চাওয়া হয় কাকরাইল চার্চ ও মন্দিরে হামলার ‘সঠিক তথ্য’ জানানোর জন্য।

বলা হয় সর্বোচ্চ মহল থেকে জানতে চাওয়া হয়েছে। পরবর্তীতে পুলিশ কর্মকর্তারা সেসব স্থাপনা পরিদর্শন করে নিশ্চিত করেন সেখানে কোনো ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেনি। 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়