মনিরুল ইসলাম : দেশের অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করতে অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা (ডিসিপ্লিন) ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, ব্যবসায়ীরা যাতে নির্বিঘ্নে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারেন, সে লক্ষ্যেই ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট প্রণয়নের চেষ্টা করা হয়েছে।
বুধবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মো. মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রশ্ন করেছেন। স্বৈরাচারের পতনের আগে এবং পরে আমরা আরও স্পষ্টভাবে দেখতে পেয়েছি, কীভাবে দুর্নীতি ও অর্থপাচারের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে। তাই দেশকে এগিয়ে নিতে হলে অর্থনৈতিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।”
তিনি আরও বলেন, “আগামী ১১ জুন সরকারের প্রথম জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করা হবে। বাজেট প্রণয়নের ক্ষেত্রে আমরা এমন একটি কাঠামো তৈরির চেষ্টা করেছি, যাতে দেশের ব্যবসায়ীরা—তারা ট্রেডার হোন বা শিল্পোদ্যোক্তা—সবার জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি হয়। তারা যেন সহজে ব্যবসা পরিচালনা করতে পারেন এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টি করতে পারেন, সেদিকেই বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।”
প্রধানমন্ত্রী জানান, দেশি ও বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে সরকার বিনিয়োগ প্রক্রিয়া সহজীকরণের জন্য বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। এ লক্ষ্যে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলো নানা পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে, যাতে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ আরও শক্তিশালী হয় এবং অর্থনীতির গতি ত্বরান্বিত হয়।
তিনি বলেন, সরকারের লক্ষ্য হলো টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনের পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বেসরকারি খাতকে আরও শক্তিশালী করা।