পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ প্রকল্পকে বর্তমান সরকার অগ্রাধিকার দিয়েছে। দেশের অন্যতম বড় অবকাঠামো নির্মাণে প্রস্তাবিত ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা। প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৬ সাল থেকে ২০৩৩ সালের জুন পর্যন্ত।
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে এ তথ্য জানান পানি সম্পদ মন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি।
সরকারদলীয় সংসদ সদস্য হারুন-অর-রশিদের প্রশ্নের জবাবে পানিসম্পদমন্ত্রী বলেন, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় হতে পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ প্রকল্পের ডিপিপি (প্রকল্প প্রণয়ন, অনুমোদন এবং বাস্তবায়নে নির্ধারিত বিস্তারিত প্রস্তাবনা) ইতিমধ্যে প্রণয়ন করে পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে। প্রকল্পটির প্রস্তাবিত ব্যয় নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৪ হাজার ৪শ ৯৭ কোটি ২৫ লাখ টাকা। প্রকল্পটির বাস্তবায়নকাল ধরা হয়েছে ২০২৬ সাল হতে জুন ২০৩৩ পর্যন্ত।
সরকার দলীয় এমপি শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাসের আরেকটি প্রশ্নের জবাবে শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির আওতায় জুন ২০২৬ পর্যন্ত পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার বিভাগ ও কৃষি মন্ত্রণালয় এক হাজার ২০৪ কিলোমিটার খাল খনন অথবা পুনঃখনন করবে। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক জুন ২০২৬ পর্যন্ত কাবিখা, কাবিটা, টিআর এর মাধ্যমে ১৫০০ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন অথবা সংস্কার হবে।
পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় গৃহীত খাল খনন কর্মসূচির আওতায় চলতি অর্থবছরের জুন পর্যন্ত ৩৫৩ কিলোমিটার খাল পুনঃখননের সংস্থান রয়েছে। গত ৩১ মার্চ পর্যন্ত ১২৩ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন শেষ হয়েছে। এ বিবেচনায় দৃশ্যমান অগ্রগতি শতকরা ৩৫ ভাগ। আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে ২৯২ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ, ৩১৬ কিলোমিটার নদ-নদীর ড্রেজিং ও ডুবোচর অপসারণ, ৮০০টি পানি নিয়ন্ত্রণ অবকাঠামো নির্মাণ, ২৫০ কিলোমিটার নদীতীর প্রতিরক্ষা কাজ চলমান আছে।