শিরোনাম
◈ নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফে অসন্তোষ, বিইআরসিকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ মন্ত্রণালয়ের ◈ ‘আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’, মায়ের মৃত্যু নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বুয়েট অধ্যাপক ◈ কুমির সরিয়ে নেওয়া ঠিক হয়নি, মাজারের দিঘিতে ফেরত চাইলেন খাদেম ◈ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ বিশ্বকাপ মোবাইলে খেলা দেখবেন যেভাবে ◈ ইরান অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা, আর ধারাবাহিক হামলা চালাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র: রুবিও ◈ স্বামী-সন্তান কানাডা প্রবাসী, সেই মিরপুরেই মিলল আরেক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ ◈ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সীমান্তে বিএসএফের ১০টি পুশইন অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ◈ অবশেষে পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান ◈ তাপপ্রবাহে পুড়ছে দেশ, দিনাজপুরে সর্বোচ্চ ৩৮.৫° সেলসিয়াস, আজও ঝড়-বৃষ্টির আভাস ◈ মার্কিন অবরোধের প্রভাব: ভিসা-মাস্টারকার্ড লেনদেন স্থগিতের ঘোষণা কিউবার

প্রকাশিত : ১৫ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:১২ রাত
আপডেট : ০১ জুন, ২০২৬, ০৮:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

দূষণকারীদের রেহাই নেই, গুঁড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে অবৈধ ইটভাটা: সংসদে পরিবেশমন্ত্রী

মনিরুল ইসলাম : দেশের পরিবেশ রক্ষায় এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু। তিনি জানান, শুধু ইটভাটা উচ্ছেদই নয়, বায়ু ও শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। 

আজ বুধবার  জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ এর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এসব কথা বলেন। 

কুষ্টিয়া-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. আফজাল হোসেনের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, পরিবেশ রক্ষায় সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। বায়ু দূষণ রোধে অবৈধ ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করা হয়েছে। নভেম্বর ২০২৫ থেকে মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে ১১টি অবৈধ ইটভাটা সম্পূর্ণ গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ১ জানুয়ারি থেকে অদ্যাবধি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ১৫টি মামলা এবং ৩০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

মন্ত্রী আরও জানান, শব্দ দূষণ রোধে ৩২টি হাইড্রোলিক হর্ন জব্দ করে ধ্বংস করা হয়েছে এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে লিফলেট বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। পানি দূষণ রোধে শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোতে ইটিপি (ETP) স্থাপনে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এদিকে, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানার পক্ষে উত্থাপিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন একটি ধীরগতির প্রক্রিয়া, তাই এর প্রভাব মোকাবিলায় সরকার দীর্ঘমেয়াদী ও সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এর অংশ হিসেবে 'জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা (ন্যাপ)' এবং 'জাতীয়ভাবে নির্ধারিত অবদান (এনডিসি)' প্রস্তুত করা হয়েছে।

মন্ত্রী জানান, ১৮০ দিনের স্বল্পমেয়াদী পরিকল্পনার আওতায় সারা দেশে বিশেষ করে উপকূলীয় এলাকায় ম্যানগ্রোভ বনায়ন এবং ১ কোটি ৫০ লাখ গাছের চারা রোপণের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। এছাড়া কার্বন ক্রেডিট বাণিজ্যের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক অর্থায়নের সুযোগ তৈরির লক্ষ্যে 'বাংলাদেশ ক্লাইমেট ডেভেলপমেন্ট পার্টনারশিপ (বিসিডিপি)' গঠন করা হয়েছে।

জলবায়ু ট্রাস্ট ফান্ডের বিষয়ে তিনি জানান, ২০০৯-১০ অর্থবছর থেকে ২০২৫-২৬ অর্থবছর পর্যন্ত 'বাংলাদেশ জলবায়ু পরিবর্তন ট্রাস্ট ফান্ডে' (সিসিটিএফ) মোট ৪ হাজার ১৫১ দশমিক ৭১ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ২০২৬ সালের মার্চ পর্যন্ত ৯৮৫টি প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে ৮২৮টি প্রকল্প ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং ১৫৩টি প্রকল্প বর্তমানে বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।

পরিপূরক প্রশ্নের জবাবে আব্দুল আউয়াল মিন্টু বলেন, জলবায়ুর ধরণ পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সরকার প্রতিনিয়ত নতুন কৌশল ও পরিকল্পনা গ্রহণ করছে। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে এসব প্রকল্পের সুফল পৌঁছে দিতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানান মন্ত্রী।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়