শিরোনাম
◈ দ. এশিয়ার স্থিতিশীলতা ও শান্তির জন্য বাংলাদেশ ‘কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ’ দেশ: তুরস্ক ◈ ইউরোপের মাটিতে ইতিহাস, সান মারিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশের জয় ◈ স্বর্ণের দামে বড় পতন বিশ্ববাজারে ◈ ডিপফেক-মিথ্যা তথ্য রোধে এআই নীতিমালা আনছে সরকার ◈ গুলশানে দুটি স্পা সেন্টারে পুলিশের অভিযান, ২৮ জন আটক ◈ হাদি হত্যা মামলায় জাবেরকে বাদী করার কারণ জানতে চান বোন মাসুমা ◈ বাজেট অধিবেশন ঘিরে সংসদ ভবন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ ◈ এশিয়ান গেমস ক্রিকে‌টে বাংলা‌দেশসহ ১০ দল চূড়ান্ত, অ‌ক্টোব‌রে খেলা হ‌বে জাপা‌নে  ◈ গ‌্যাংস্টার দাউদ ইব্রাহিমের হুম‌কি‌তে আ‌মি প্রস্রাব ক‌রে দেই, আইপিএলের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা শোনালেন ললিত মো‌দি ◈ আগস্টে ইউপি নির্বাচনের তফসিল, আচরণবিধিতে আসছে বড় পরিবর্তন

প্রকাশিত : ০৫ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:৪৮ রাত
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঐক্যমত্য কমিশন আমাদের যে খসড়া দিয়েছিল, সেখানে কোনো নোটের উল্লেখ ছিল না : আখতার হোসেন 

মনিরুল ইসলাম : জুলাই সনদের বাস্তবায়ন ও সংবিধান সংস্কার ইস্যুতে বিএনপির অবস্থানের সমালোচনা করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির সংসদ সদস্য ও রংপুর-৪ আখতার হোসেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, ঐক্যমত্য কমিশনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ধাপগুলো চূড়ান্ত হওয়ার পর এখন বিএনপি সেই আলোচনা থেকে পিছিয়ে গিয়ে ‘প্রেসিডেন্সিয়াল ফর্ম’ বা পুরোনো অবস্থায় ফিরে যেতে চাইছে।

রোববার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে সংবিধান সংস্কার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন সংক্রান্ত এক মুলতবি প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

আখতার হোসেন বলেন, গত ৩১ জুলাই ঐক্যমত্য কমিশনে যখন সংস্কারের প্রস্তাবনাগুলো নিয়ে আলোচনা শেষ হলো, সেদিনই জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পথরেখা নিয়ে সব রাজনৈতিক দল একমত হয়েছিল। কিন্তু আজকে অত্যন্ত দুঃখের সাথে বলতে হয়, সেই আলোচনার ফলাফল বিএনপি মানতে চাইছে না। সংস্কারের ঘোড়া অনেক দূর এগিয়ে গেছে, কিন্তু এখন তাকে লাগাম পরানোর চেষ্টা চলছে।

সংসদ প্লাজার সামনে স্বাক্ষরিত জুলাই সনদে একটি বিশেষ ‘নোট’ অন্তর্ভুক্ত করা নিয়ে তদন্ত দাবি করেন আখতার হোসেন। তিনি বলেন, ঐক্যমত্য কমিশন আমাদের যে খসড়া দিয়েছিল, সেখানে কোনো নোটের উল্লেখ ছিল না। কিন্তু পরবর্তীতে দেখা গেল সেখানে বিশেষ একটি পয়েন্ট যুক্ত করা হয়েছে। কোনো ব্যক্তি বা দল ইতিহাস বিকৃত করে এই নোটটি সেখানে অন্তর্ভুক্ত করেছে। আমরা তদন্ত করে বের করতে চাই, কারা এই কাজ করেছে।

সংবিধানের বর্তমান অবস্থা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ ৫ আগস্টের পর একটি ব্যতিক্রমী পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। আমরা সংবিধান পুরোপুরি মানতেও পারছি না, আবার পুরোপুরি ছাড়তেও পারছি না। বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি বা অ্যাটর্নি জেনারেলের নিয়োগ—এগুলো কোনো প্রচলিত আইনের ভিত্তিতে নয়, বরং জনগণের অভিপ্রায়ের ভিত্তিতে হয়েছিল। সেই জনগণের অভিপ্রায়কে টেকসই করতেই ‘জুলাই সনদ আদেশ’ জারি করা হয়েছে।

আখতার হোসেন আরও বলেন, বর্তমান সংবিধানের অনেক বিষয় মৌলিক কাঠামোর সাথে সাংঘর্ষিক। জাতীয় নাগরিক পার্টির পক্ষ থেকে আমরা গণপরিষদ বা ‘সংশোধনী ও গাঠনিক ক্ষমতা প্রাপ্ত সংবিধান সংস্কার পরিষদ’ গঠনের দাবি জানিয়েছিলাম। জুনায়েদ সাকি ও নুরুল হক নূরসহ অনেকেই তখন এর পক্ষে বলেছিলেন। অথচ আজ অনেকেই তা ভুলে গেছেন।

বিএনপি গণভোটের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, গণভোটে উচ্চকক্ষ গঠন, নিরপেক্ষ বডির মাধ্যমে নিয়োগ এবং তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নতুন ফর্মুলার কথা বলা হয়েছে। এসব বিষয় বাস্তবায়ন করতে চায় না বলেই বিএনপি এখন গণভোটের বিরোধিতা করছে।

বক্তব্যের শেষে তিনি জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া নিয়ে উত্থাপিত প্রস্তাবটি গ্রহণ না করার জন্য স্পিকারের প্রতি বিনীত আহ্বান জানান তিনি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়