শিরোনাম
◈ মরুভূমির দেশ হয়েও কেন বালু আমদানি করে সৌদি আরব? ◈ মাত্র ১৭০ টাকায় অনলাইনে এনআইডি বিক্রি! ◈ বাড়তি মার্কিন শুল্ক কার্যকর হলে রপ্তানিতে বড় ধাক্কার আশঙ্কা ◈ শেখ হাসিনার পক্ষের দাবি নাকচ, জুলাই অভ্যুত্থান প্রতিবেদনের পাশে জাতিসংঘ ◈ কারামুক্ত হলেন সাবেক মেয়র আইভী ◈ দিল্লির আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ২১; আহতদের মধ্যে ৫ বাংলাদেশি ◈ ‘আসল’ তৃণমূলের নিয়ন্ত্রণ ঋতব্রতের হাতে, মমতাকে উপদেষ্টা হওয়ার প্রস্তাব ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের ওয়ান‌ডে দল ঘোষণা, মিরাজ অ‌ধিনায়ক ◈ বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ তুলে নিল সরকার ◈ হাজিদের লাগেজ চুরি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস ধর্মমন্ত্রীর

প্রকাশিত : ০৬ মে, ২০২৬, ০৭:৫৫ বিকাল
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঋণ পরিশোধ না করে হজ পালন করলে কি কবুল হবে?

ঋণ পরিশোধের নির্দিষ্ট সময়সীমা পার হয়ে যাওয়ার পরও ঋণ পরিশোধ করেনি, কিন্তু হজ করতে যাচ্ছে, এই ব্যক্তির হজ কি শুদ্ধ হবে?

হ্যাঁ, হজ আদায় হবে। ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি ঋণ পরিশোধ না করে হজ করলে তার হজ শুদ্ধ হবে যদি হজের রোকন ও শর্তগুলো পরিপূর্ণভাবে আদায় করা হয়। হজে যে সম্পদ ব্যয় হয়, ওই সম্পদের উৎসের সঙ্গে বা ঋণগ্রস্ত হওয়ার সঙ্গে হজের শুদ্ধতার কোনো সম্পর্ক নেই।

তবে যে ব্যক্তি ঋণগ্রস্ত এবং ঋণ পরিশোধ করলে হজ করার সামর্থ্য থাকবে না, তার ওপর হজ ফরজ নয়। ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে তার কর্তব্য হলো আগে ঋণ পরিশোধ করা, তারপর সামর্থ্য থাকলে হজ করা।

ঋণ পরিশোধের সামর্থ্য থাকলে ঋণ পরিশোধের সময় অতিক্রান্ত হওয়ার আগেই বা নির্ধারিত সময়ে ঋণ পরিশোধ করা জরুরি। ঋণ পরিশোধের সামর্থ্য থাকার পরও ঋণ পরিশোধ করতে গড়িমসি করা জুলুম। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন— ‘ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে সক্ষম ব্যক্তির টালবাহানা করা অত্যাচারের শামিল।’ (মুসলিম ৩৮৫৬)

দুনিয়াতে বেঁচে থাকতে ঋণ পরিশোধের সামর্থ্য থাকার পরও ঋণ পরিশোধ না করলে পরকালে নিজের আমল দিয়ে এবং ঋণদাতার গুনাহের বোঝা নিজের কাঁধে নিয়ে ওই ঋণ পরিশোধ করতে হবে। বান্দার হক আল্লাহ ক্ষমা করবেন না। আল্লাহর পথে শাহাদাত বরণ করলেও ঋণ মাফ হয় না। নবীজি (সা.) বলেছেন—

‘আল্লাহর পথে জীবন উৎসর্গকারী শহীদের সব পাপ ক্ষমা করা হলেও অপরিশোধিত ঋণ ক্ষমা করা হয় না।’ (মুসলিম ৪৯৯১)

আরেকটি হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন— ‘কারো উপর তার ভাইয়ের কোনো দাবি থাকলে সে যেন তা থেকে মুক্ত হয়। কারণ কেয়ামতের দিন পাওনা পরিশোধের জন্য টাকা-পয়সা থাকবে না। তখন অন্যায়ের সমপরিমাণ সওয়াব পাওনাদারের জন্য নিয়ে নেওয়া হবে। সওয়াব না থাকলে পাওনাদারের গুনাহগুলো তার উপরে চাপিয়ে দেওয়া হবে।’ (বুখারি ৬৫৩৪)

তাই ঋণ পরিশোধ করা নিয়ে হেলাফেলা করা কোনো মুসলমানের কাজ হতে পারে না। ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির জন্য ঋণ পরিশোধকে হজের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়