শিরোনাম
◈ ‘আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’, মায়ের মৃত্যু নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বুয়েট অধ্যাপক ◈ কুমির সরিয়ে নেওয়া ঠিক হয়নি, মাজারের দিঘিতে ফেরত চাইলেন খাদেম ◈ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ বিশ্বকাপ মোবাইলে খেলা দেখবেন যেভাবে ◈ ইরান অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা, আর ধারাবাহিক হামলা চালাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র: রুবিও ◈ স্বামী-সন্তান কানাডা প্রবাসী, সেই মিরপুরেই মিলল আরেক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ ◈ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সীমান্তে বিএসএফের ১০টি পুশইন অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ◈ অবশেষে পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান ◈ তাপপ্রবাহে পুড়ছে দেশ, দিনাজপুরে সর্বোচ্চ ৩৮.৫° সেলসিয়াস, আজও ঝড়-বৃষ্টির আভাস ◈ মার্কিন অবরোধের প্রভাব: ভিসা-মাস্টারকার্ড লেনদেন স্থগিতের ঘোষণা কিউবার ◈ মেডিকেলের ছাত্রীরা বছরের পর বছর যৌন হয়রানির শিকার, কমপক্ষে ৩০ জনের অভিযোগ

প্রকাশিত : ২১ মে, ২০২৬, ০৫:৪১ বিকাল
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইরান ইস্যুতে ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর মতবিরোধ, ফোনালাপ শেষে ‘দিশাহারা’ ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী

ইরান যুদ্ধে পরবর্তী পদক্ষেপ কেমন হবে- তা নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর মতবিরোধ সামনে এসেছে। দুই নেতা তাদের সবশেষ ফোনালাপেও উত্তেজনাপূর্ণ বাক্য বিনিময় করেছেন।

মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন ও ইসরায়েলি গণমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল (টিওআই) পৃথক প্রতিবেদনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। প্রতিবেদনে তারা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত কর্মকর্তাদের বরাত দিয়েছে। একটি সূত্রের বরাত দিয়ে আরেক মার্কিন গণমাধ্যম অ্যাক্সিওস লিখেছে, ফোনালাপের পর নেতানিয়াহু অনেকটাই দিশাহারা হয়ে পড়েন।

সিএনএন লিখেছে, চলতি সপ্তাহে দুই নেতার প্রথম ফোনালাপটি হয় গত রোববার। যুক্তরাষ্ট্র তখন ইরানে নতুন হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। সম্ভাব্য অভিযানের নাম দেওয়া হয় ‘অপারেশন স্লেজহ্যামার’। কিন্তু ওই ফোনালাপের প্রায় ২৪ ঘণ্টা পর ট্রাম্প অভিযান স্থগিতের ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, উপসাগরীয় দেশগুলোর অনুরোধে তিনি হামলা আপাতত বন্ধ রাখছেন। একই সময় তিনি সম্ভাব্য চুক্তির অগ্রগতির বিষয়েও ইঙ্গিত দেন। 

ট্রাম্পের এই ঘোষণা ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে ক্ষুব্ধ করে। এরপর দুজন গত মঙ্গলবার দ্বিতীয় দফায় ফোনালাপ করেন। ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তা ও ইসরায়েলি সূত্রের বরাত দিয়ে সিএনএন লিখেছে, ট্রাম্প হামলা স্থগিত করলেও নেতানিয়াহুর অবস্থান ছিল বিপরীত। তাঁর যুক্তি হলো- অভিযান চালাতে যত দেরি হবে ইরান তত সুবিধা পাবে। তাই মঙ্গলবারের ফোনালাপে তিনি নিজের অসন্তোষের কথা সরাসরি ট্রাম্পকে জানান।

এক মার্কিন কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে বলেন- পরিকল্পিত হামলাগুলো স্থগিত করা একটি ভুল সিদ্ধান্ত। প্রেসিডেন্টের উচিত ছিল পরিকল্পনা অনুযায়ী এগিয়ে যাওয়া। 

ফোনালাপটি প্রায় এক ঘণ্টা ধরে চলে বলে জানিয়েছে একটি ইসরায়েলি সূত্র। তাঁর ভাষ্য, নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে সামরিক পদক্ষেপ শুরুর ব্যাপারে চাপ দেন। কিন্তু ট্রাম্প একটি চুক্তির সম্ভাবনার আশায় ছিলেন। যা থেকে দুই নেতার মতবিরোধ স্পষ্ট হয়। 

ফোনালাপের বিষয়ে মন্তব্য জানতে সিএনএন হোয়াইট হাউসে এবং টাইমস অব ইসরায়েল নেতানিয়াহুর দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল। তবে সাড়া পায়নি।

‘আমি যা চাইব, তাই করবেন’
একই বিষয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে টাইমস অব ইসরায়েল মার্কিন গণমাধ্যম অ্যাক্সিওসের বরাত দিয়েছে। তিনটি সূত্রের মধ্যে একজন অ্যাক্সিওসকে বলেছেন, ফোনালাপের পর নেতানিয়াহুর দিশাহারা অবস্থা তৈরি হয়। ইসরায়েলি সূত্রগুলো উল্লেখ করেছে, ইরানের সঙ্গে আলোচনার ভবিষ্যৎ কী হবে- তা নিয়ে নেতানিয়াহুর প্রায় প্রতিটি মুহূর্তই উদ্বেগে কাটছে। 

এদিকে ফোনালাপের কয়েক ঘণ্টা পর সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ট্রাম্প। নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ‘ইরানের ওপর সম্ভাব্য সামরিক হামলার বিষয়ে আমি যা চাইব, নেতানিয়াহু তাই করবেন।’ 

টাইমস অব ইসরায়েল লিখেছে, নেতানিয়াহু বরাবরই ট্রাম্পের সঙ্গে নিজের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা প্রচার করেন। তবে ট্রাম্পের মন্তব্যটি নেতানিয়াহুকে নতুন সমালোচনার মুখে ফেলেছে। সমালোচকদের মতে- ট্রাম্পের প্রতি নেতানিয়াহু এতটাই ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন যে, কোনো সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেছেন।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়