শিরোনাম
◈ ইউরোপের মাটিতে ইতিহাস, সান মারিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশের জয় ◈ স্বর্ণের দামে বড় পতন বিশ্ববাজারে ◈ ডিপফেক-মিথ্যা তথ্য রোধে এআই নীতিমালা আনছে সরকার ◈ গুলশানে দুটি স্পা সেন্টারে পুলিশের অভিযান, ২৮ জন আটক ◈ হাদি হত্যা মামলায় জাবেরকে বাদী করার কারণ জানতে চান বোন মাসুমা ◈ বাজেট অধিবেশন ঘিরে সংসদ ভবন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ ◈ এশিয়ান গেমস ক্রিকে‌টে বাংলা‌দেশসহ ১০ দল চূড়ান্ত, অ‌ক্টোব‌রে খেলা হ‌বে জাপা‌নে  ◈ গ‌্যাংস্টার দাউদ ইব্রাহিমের হুম‌কি‌তে আ‌মি প্রস্রাব ক‌রে দেই, আইপিএলের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা শোনালেন ললিত মো‌দি ◈ আগস্টে ইউপি নির্বাচনের তফসিল, আচরণবিধিতে আসছে বড় পরিবর্তন ◈ হামে ও উপসর্গে মৃত্যু বেড়ে ৬১০, ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেল আরও ৫ শিশুর

প্রকাশিত : ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:৩১ রাত
আপডেট : ৩১ মে, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তীব্র খাদ্যসংকটের ঝুঁকিতে বিশ্ব: সতর্ক করলেন বিশ্বব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত বিশ্বজুড়ে খাদ্যনিরাপত্তাকে মারাত্মক ঝুঁকির মুখে ফেলতে পারে বলে সতর্ক করেছেন বিশ্বব্যাংকের প্রধান অর্থনীতিবিদ ইন্দরমিত গিল। ১৫ এপ্রিল এএফপিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই সংঘাতের অর্থনৈতিক প্রভাব দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে আরও কোটি কোটি মানুষ খাদ্যসংকটে পড়তে পারে।

গিল জানান, বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ৩০ কোটি মানুষ তীব্র খাদ্য-অনিরাপত্তায় ভুগছে। তবে পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে এই সংখ্যা খুব দ্রুতই প্রায় ২০ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। তিনি এই মন্তব্য করেন আইএমএফ-ওয়ার্ল্ড ব্যাংক স্প্রিং মিটিংসের ফাঁকে। যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই সম্মিলন।

সংঘাতের ফলে হরমুজ প্রণালি অবরুদ্ধ হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ব্যাহত হচ্ছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে সার উৎপাদনে। কারণ, অধিকাংশ সার তেলভিত্তিক উপাদানের ওপর নির্ভরশীল। ফলে সারের মূল্য বেড়ে যাওয়ায় কৃষি উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে অনেক দেশ নিজেদের খাদ্য মজুত রাখতে রপ্তানি সীমিত বা বন্ধ করে দিতে পারে, যা বৈশ্বিক খাদ্যবাজারে আরও অস্থিরতা সৃষ্টি করবে। গিল বলেন, ‘রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা আমাদের জন্য বড় ধরনের উদ্বেগের বিষয়।’

গিল সতর্ক করেন—যদি দ্রুত এই সংকটের সমাধান না হয়, তাহলে ক্ষুধা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়বে। বর্তমানে এই সংকটের প্রভাব সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে এশিয়ায়। তবে পরিস্থিতি দীর্ঘায়িত হলে তা দ্রুত আফ্রিকায়ও ছড়িয়ে পড়বে।

গিল জানান, বর্তমানে বাজারে যে খাদ্য রয়েছে, তা আগেই উৎপাদিত। তবে প্রকৃত প্রভাব কয়েক মাস পর স্পষ্ট হবে, যখন উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার ফল সামনে আসবে। বিশেষ করে দরিদ্র মানুষের দৈনন্দিন ভোগ্যপণ্যের দাম বাড়লে তাদের ওপর এর প্রভাব হবে সবচেয়ে বেশি।

গিল আশঙ্কা করেন, সংঘাত দীর্ঘস্থায়ী হলে বৈশ্বিক মূল্যস্ফীতি বেড়ে যেতে পারে। সবচেয়ে খারাপ পরিস্থিতিতে এ বছর বিশ্বে গড় মূল্যস্ফীতি প্রায় ৩ শতাংশ থেকে বেড়ে ৪.৭ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।

সূত্র: আজকের পত্রিকা

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়