শিরোনাম
◈ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সীমান্তে বিএসএফের ১০টি পুশইন অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ◈ অবশেষে পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান ◈ তাপপ্রবাহে পুড়ছে দেশ, দিনাজপুরে সর্বোচ্চ ৩৮.৫° সেলসিয়াস, আজও ঝড়-বৃষ্টির আভাস ◈ মার্কিন অবরোধের প্রভাব: ভিসা-মাস্টারকার্ড লেনদেন স্থগিতের ঘোষণা কিউবার ◈ মেডিকেলের ছাত্রীরা বছরের পর বছর যৌন হয়রানির শিকার, কমপক্ষে ৩০ জনের অভিযোগ ◈ দ‌ক্ষিণ আ‌ফ্রিকার টি-টোয়েন্টিতে খেল‌বেন রিশাদ হো‌সেন! ◈ ১৩ বছর পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের মা‌টি‌তে ওয়ান‌ডে জ‌য়ের স্বাদ পে‌লো  শ্রীলঙ্কা ◈ নতুন-পুরনো সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা: এনআইডি ব্লকের প্রস্তুতি, নতুন তালিকা হচ্ছে, নজরদারিতে স্বজনরাও ◈ বিদ্যুৎ দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে আজ সারা দেশে জামায়াতের বিক্ষোভ ◈ বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ডিসেম্বরে নিউজিল্যান্ড সফ‌রে যাচ্ছে

প্রকাশিত : ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:১২ রাত
আপডেট : ৩০ মে, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

২০২৭ সালের মধ্যে পুরো রাখাইন দখলের ঘোষণা দিল আরাকান আর্মি

মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি আগামী ২০২৭ সালের শেষ নাগাদ রাখাইন রাজ্যের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) আরাকান আর্মির ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা দেন গোষ্ঠীর প্রধান জেনারেল তোয়ান ম্রাত নাইং। 

রাখাইন রাজ্যের ১৭টি উপজেলার মধ্যে ১৪টি এবং চিন রাজ্যের পালেতওয়া এখন আরাকান আর্মির দখলে রয়েছে। বর্তমানে কেবল রাজধানী সিত্তওয়ে, কিয়াকফিউ এবং মানাউং শহর মিয়ানমারের জান্তা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে আছে।

জেনারেল তোয়ান ম্রাত নাইং তার বক্তব্যে বলেন, তারা পূর্ণ আত্মবিশ্বাসের সাথে তাদের লক্ষ্যপানে এগিয়ে যাবেন এবং জান্তা সরকারের বিরুদ্ধে অন্যান্য মিত্র গোষ্ঠীর সাথে মিলে লড়াই চালিয়ে যাবেন। 

গত বছরের ১৩ নভেম্বর থেকে রাখাইনে এই জোরালো অভিযান শুরু করে আরাকান আর্মি। কেবল সামরিক বিজয়ই নয়, তারা ইতোমধ্যে তাদের নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে নিজস্ব প্রশাসনিক ব্যবস্থা, আদালত, স্কুল এবং স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র গড়ে তুলেছে। তবে জান্তা বাহিনীর বিমান ও নৌ-হামলার কারণে এসব এলাকায় সাধারণ মানুষ বাস্তুচ্যুত হচ্ছে।

আরাকান আর্মির এই অভাবনীয় সাফল্যে শুভেচ্ছা জানিয়েছে ব্রাদারহুড অ্যালায়েন্সের অন্য দুই সদস্য এবং দেশটির জাতীয় ঐক্য সরকারসহ ৪০টিরও বেশি সশস্ত্র বিদ্রোহী গোষ্ঠী। তাদের বার্তায় বলা হয়েছে, আরাকান আর্মির এই অর্জন মিয়ানমারের অন্যান্য জাতিগত গোষ্ঠীর জন্য একটি অনুপ্রেরণামূলক উদাহরণ। 

২০০৯ সালের ১০ এপ্রিল মাত্র ২৬ জন সদস্য এবং একটি আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে কাচিন রাজ্যের লাইজায় যাত্রা শুরু করেছিল এই সশস্ত্র গোষ্ঠীটি, যা আজ জান্তা বাহিনীর জন্য এক বিশাল মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সূত্র: মিয়ানমার নাউ।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়