শিরোনাম
◈ নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফে অসন্তোষ, বিইআরসিকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ মন্ত্রণালয়ের ◈ ‘আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’, মায়ের মৃত্যু নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বুয়েট অধ্যাপক ◈ কুমির সরিয়ে নেওয়া ঠিক হয়নি, মাজারের দিঘিতে ফেরত চাইলেন খাদেম ◈ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ বিশ্বকাপ মোবাইলে খেলা দেখবেন যেভাবে ◈ ইরান অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা, আর ধারাবাহিক হামলা চালাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র: রুবিও ◈ স্বামী-সন্তান কানাডা প্রবাসী, সেই মিরপুরেই মিলল আরেক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ ◈ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সীমান্তে বিএসএফের ১০টি পুশইন অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ◈ অবশেষে পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান ◈ তাপপ্রবাহে পুড়ছে দেশ, দিনাজপুরে সর্বোচ্চ ৩৮.৫° সেলসিয়াস, আজও ঝড়-বৃষ্টির আভাস ◈ মার্কিন অবরোধের প্রভাব: ভিসা-মাস্টারকার্ড লেনদেন স্থগিতের ঘোষণা কিউবার

প্রকাশিত : ২৪ মার্চ, ২০২৬, ১১:০৮ দুপুর
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এনআইএ হেফাজতে প্রধান অভিযুক্ত ফয়সাল করিম ও সহযোগী আলমগীর হোসেন

বাংলাদেশের ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ওসমান হাদিকে হত্যায় অভিযুক্ত ফয়সাল করিম মাসুদ ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে ভারতের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা এনআইএ। রোববার বিধাননগর মহকুমা আদালতের বিচারক ভারতৈ তাদেরকে জেরা করার অনুমতি দিয়েছিল।

তবে সোমবার এনআইএ বিধাননগর মহকুমা আদালতে ফয়সাল করিম ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে হেফাজতে নেয়ার আবেদন করে। এই আবেদনের শুনানির সময় দুই অভিযুক্তকে ভার্চুয়ালি আদালতে হাজির করা হয়েছিল। বিচারক এনআইএ-র আবেদন মঞ্জুর করেন। ট্রানজিট রিমান্ডে ফয়সাল করিম ও আলমগীর হোসেনকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ারও অনুমতি দিয়েছেন বিচারক।

আইনজীবী সূত্রে জানা গেছে, এবার হেফাজতে নেয়া দুই অভিযুক্তকে দিল্লিতে এনআইএ-র আদালতে হাজির করবে। এরপরই নতুন করে দুই জনকে জেরা করা হবে। তবে এনআইএ ভারতে গ্রেপ্তার তৃতীয় বাংলাদেশি নাগরিক ফিলিপ সাংমাকে হেফাজতে নেয়ার আবেদন করেনি বলে সরকারি আইনজীবীদের সূত্রে জানা গেছে।

রোববার বিচারক ফয়সাল করিম ও তার সহযোগী আলমগীর হোসেনকে ১২ দিনের বিচারবিভাগীয় হেফাজত দিয়েছিলেন। তবে রোববার আদালত প্রাঙ্গণে প্রবেশ ও প্রস্থানের সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে ফায়সাল হাদি হত্যা যুক্ত থাকার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

ফয়সাল আরও দাবি করেন, সে হাদিকে খুন করেনি। এরপর সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন সিসিটিভি ফুটেজে তাকেই দেখা গেছে বলে জানানো হলে হাদি খুনে অন্যতম অভিযুক্ত বলেন, ‘সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়নি যে, আমি গুলি করেছি। আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না।’

তবে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের এসটিএফের দেয়া বিবৃতি অনুযায়ী, গত ৭ মার্চ মধ্যরাতে ফয়সাল এবং আলমগীরকে বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বনগাঁ থেকে গ্রেপ্তারের পর জেরায় তারা হাদি হত্যার সঙ্গে যুক্ত থাকার কথা স্বীকার করেছিল।

গত বছরের ১২ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি ঢাকার পুরানা পল্টন এলাকায় মাথায় গুলিবিদ্ধ হন। উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলেও গত ১৮ ডিসেম্বর তিনি সেখানে মারা যান।

এরপর পুলিশি তদন্তে ফয়সাল করিমের নাম উঠে আসে। গত ৬ জানুয়ারি ১৭ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে গোয়েন্দা পুলিশ। অভিযোগপত্রে যাদের নাম এসেছে, তাদের মধ্যে ১২ জন বাংলাদেশে গ্রেপ্তার হন। আর প্রধান দুই আসামি ফয়সাল ও আলমগীর এবং তাদের পালাতে সহায়তায় অভিযুক্ত ফিলিপ সাংমা ভারতে গ্রেপ্তার হয়ে বর্তমানে বিচারবিভাগীয় হেফাজত রয়েছে।

সূত্র: মানবজমিন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়