শিরোনাম
◈ টানা ১৬ দিনের ছুটি শেষে আজ খুলেছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ◈ গ্রাহকের আস্থা ফিরিয়ে আনতে প্রিপেইড মিটারের ত্রুটি দূর করতে হবে ◈ ফারাক্কায় আপত্তি নেই, তবে পদ্মা ব্যারেজে কেন ভারতের অস্বস্তি? ◈ সীমান্তে একের পর এক পুশইন চেষ্টা, কী বার্তা দিতে চাইছে ভারত? ◈ বাংলাদেশকে ২৩ খাতে সহযোগিতার প্রস্তাব চীনের, প্রধানমন্ত্রীর সফরে হতে পারে চুক্তি ◈ যে কারণে হোটেলের বুকিং বাতিল করে কক্সবাজার ছাড়ছেন পর্যটকরা! ◈ আসিফ আকবর আটক হননি, গুজব উড়িয়ে দিলেন নিজেই! ◈ অর্থনৈতিক পুনরুজ্জীবন ও বৃহৎ শক্তির ভারসাম্যের চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশ ◈ বিশ্বকা‌পের প্রস্তু‌তি ম‌্যা‌চে ‌রোববার সকা‌লে মিশরের মুখোমুখি ব্রাজিল ◈ অপরাধী শনাক্তে ঢাকায় এআই প্রযুক্তি: ২ লাখ অপরাধীর তথ্য যুক্ত হচ্ছে, মুখমণ্ডল শনাক্ত করে পাঠাবে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা

প্রকাশিত : ১৬ মার্চ, ২০২৬, ১১:১১ দুপুর
আপডেট : ৩০ মে, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

স্ত্রীর চিত্রকর্মে ফিলিস্তিন সমর্থন, রাজনৈতিক চাপের মুখে নিউইয়র্কের মেয়র মামদানি

নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি তার স্ত্রীর পুরনো চিত্রকর্ম নিয়ে রাজনৈতিক ঝামেলায় পড়েছেন। মামদানির স্ত্রী রামা দুওয়াজির কাজ ফিলিস্তিনি লেখক সুসান আবুলহাওয়ার সঙ্গে সংযুক্ত বলে দাবি করা হচ্ছে।

কট্টর ডানপন্থী সংবাদমাধ্যম ‘ওয়াশিংটন ফ্রি বিকন’ গত সপ্তাহে এই খবর প্রথম প্রকাশ করে। তারা জানায়, ২৮ বছর বয়সী ফ্রিল্যান্স চিত্রকর দুওয়াজি আবুলহাওয়ার সংকলিত একটি রচনার জন্য চিত্রকর্ম তৈরি করেছিলেন। রচনাটি ছিল ‘এভরি মোমেন্ট ইজ আ লাইফ’ শিরোনামে গাজার লেখকদের সংকলনের অংশ।

আবুলহাওয়া পরে স্পষ্ট করেছেন, লেখাটি আসলে গাজার একজন বাস্তুচ্যুত বাসিন্দার ছোটগল্প। ‘এ ট্রেইল অব সোপ’ নামের গল্পটি যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় সাধারণ মানুষের কষ্টের কথা বলে।

মামদানি জানিয়েছেন, দুওয়াজি একটি তৃতীয় পক্ষের কাছ থেকে কাজটি পেয়েছিলেন এবং আবুলহাওয়ার সঙ্গে কখনো ‘দেখা বা যোগাযোগ করেননি।’ আবুলহাওয়াও পরে এই দাবি নিশ্চিত করেছেন।

বিতর্কটি মূলত আবুলহাওয়ার কিছু পুরনো সামাজিক মাধ্যম পোস্ট নিয়ে। কেউ কেউ বলছেন এই পোস্টগুলো ইহুদি-বিদ্বেষী। আবুলহাওয়া অবশ্য এই অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন। তিনি বলেছেন, তার কথাগুলো একজন ফিলিস্তিনির দৃষ্টিকোণ থেকে আসা যন্ত্রণার প্রকাশ।

আবুলহাওয়া সামাজিক মাধ্যমে গাজায় হত্যাকাণ্ডকে ‘জুইশ সুপ্রিমেসিস্ট গণহত্যা’ বলেছেন। একটি নিবন্ধে ৭ অক্টোবর ২০২৩-এর ঘটনাকে ‘চমকপ্রদ মুহূর্ত’ বলে উল্লেখ করেছেন।

মামদানি সংবাদ সম্মেলনে আবুলহাওয়ার মন্তব্যকে ‘সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য’ ও ‘ঘৃণ্য’ বলেছেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রশাসন সব ধরনের গোঁড়ামির বিরুদ্ধে, দৃঢ়ভাবে।’

তবে মামদানির এই প্রতিক্রিয়া তার কিছু সমর্থকের সমালোচনার মুখে পড়েছে। তারা বলছেন মেয়র ফিলিস্তিনপন্থী সমর্থনকে ইহুদি-বিরোধিতার সঙ্গে মেলানোর ক্ষতিকর আখ্যানকে আরও শক্তিশালী করছেন।

কর্মী শায়েল বেন-ইফ্রাইম বলেছেন, ‘ক্ষমা চাওয়া ও ব্যাখ্যা দেওয়ার জন্য বোকামি করেছেন মামদানি। জায়নিস্টদের জন্য কোনো কিছুই কখনো যথেষ্ট নয়। মাথা উঁচু রাখুন।’

আবুলহাওয়া বলেছেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে মামদানির প্রতি রাগ করেননি, তবে এখান থেকে শিক্ষা নিতে হবে। তিনি বলেন, ‘আপনি এমন শক্তির কাছে মাথা নত করলেন যারা আপনাকে, আপনার প্রতিভাবান সুন্দর স্ত্রীকে ধীরে ধীরে ক্ষয় করতে চায়। সাবধান না হলে, বুঝতেও পারবেন না কখন তারা আপনার আত্মাটুকু শুষে নেবে।’

মামদানি ইতিমধ্যে বিভিন্ন সময়ে ইসলামোফোবিয়ার শিকার হয়েছেন। গাজায় ইসরায়েলের কর্মকাণ্ডকে ‘গণহত্যা’ বলায় বারবার ইহুদি-বিরোধী তকমা দেওয়া হচ্ছে তাকে।

অন্যদিকে রিপাবলিকান সিনেটর টমি টিউবারভিল মামদানির ধর্মবিশ্বাস নিয়ে বারবার আক্রমণ করেছেন। ইফতারের ছবির পাশে ৯/১১-এর হামলার ছবি দিয়ে তিনি এক্স-এ লিখেছেন, ‘শত্রু এখন ভেতরে ঢুকে গেছে।’ অথচ এই ধরনের ইসলামবিদ্বেষী আক্রমণের জন্য তিনি কোনো জবাবদিহির মুখে পড়েননি।

সূত্র: যুগান্তর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়