শিরোনাম
◈ সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর, আসছে নতুন বেতন কাঠামো, বাজেটে বরাদ্দ ৩৫ হাজার কোটি! ◈ বিশ্বকাপে নিয়ম না মেনে বাড়ির ছাদ, বারান্দা কিংবা জানালায় প্রিয় দেশের জাতীয় পতাকা উড়ালে ৪ লাখ টাকা জরিমানা! ◈ প্রবীণ রাজনীতিবিদ মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম গুরুতর অসুস্থ, সিসিইউতে চিকিৎসাধীন ◈ বিশ্বকাপ, যুক্তরা‌স্ট্রে নামতেই ৭ ঘণ্টা ধরে জেরা ইরা‌কের তারকা ফুটবলার আইমেন হো‌সেন‌কে ◈ সরকারি চাকরির বাইরে থেকে নিয়োগপ্রাপ্ত মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর এপিএসদের বেতন বাড়ল ◈ সংসদ সদস‌্যদের একসময় চাহিদা ছিল সড়ক ও সেতু, এখন চান বিশ্ববিদ্যালয়  ◈ বিশ্বকাপের আগে নতুন বিতর্ক, ইরানের ১৪ কর্মকর্তা ও স্টাফকে ভিসা দিলো না যুক্তরাষ্ট্র ◈ ইরানে ইসরাইলের পালটা হামলা, বাড়ছে উত্তেজনা ◈ ৭.৮ মাত্রার ভূমিকম্পে কাঁপল ফিলিপাইন, সুনামির ঝুঁকিতে উপকূলীয় এলাকা ◈ পুশইন ঠেকাতে রাত জেগে সীমান্ত পাহারায় ৫ শতাধিক বাংলাদেশি

প্রকাশিত : ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:৫৫ সকাল
আপডেট : ১৯ মে, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে হতাহত ও নিখোঁজ ১৮ লাখ সেনা: সিএসআইএস

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের গত প্রায় চার বছরে নিহত, আহত ও নিখোঁজ হয়েছেন দুই দেশের ১৮ লাখের বেশি সেনা। মার্কিন থিঙ্কট্যাংক সংস্থা সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (সিএসআইএস) এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে এ তথ্য।

সিএসআইসের প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ইউক্রেনের সেনবাহিনীর তুলনায় রুশ বাহিনীর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বেশি। যে ১৮ লক্ষাধিক সেনা নিহত, আহত ও নিখোঁজ হয়েছেন— তাদের মধ্যে ১২ লাখই রুশ বাহিনীর। এই ১২ লাখ রুশ সেনার মধ্যে নিহত হয়েছেন তিন লাখ ২৫ হাজারের কিছু বেশি। বাকিদের বেশিরভাগই আহত হয়েছেন। এছাড়া নিখোঁজ আছেন বেশ কয়েক হাজার সেনা।

রুশ বাহিনীর এই ক্ষতি সম্পর্কে সিএসআইএসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কোনো বৃহৎ শক্তির সেনাবাহিনী বিশ্বের কোথাও, কোনো যুদ্ধে এত বেশি হতাহত এবং ক্ষতির শিকার হয়নি।

ক্ষতি অবশ্য ইউক্রেনেরও কম হয়নি। গত চার বছরের যুদ্ধে ইউক্রেনের ছয় লাখেরও সেনা হতাহত এবং নিখোঁজ হয়েছেন। সিআইএসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ইউক্রেনীয় বাহিনীর এক লাখ থেকে ১ লাখ ৪০ হাজার সেনা নিহত হয়েছেন।

সিএসআইসের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, গত প্রায় ৪ বছরের যুদ্ধে রাশিয়া এবং ইউক্রেনীয় বাহিনীর ১৮ লক্ষাধিক সেনা নিহত-আহত এবং নিখোঁজ হয়েছেন। যদি এ যুদ্ধ চলতে থাকে, তাহলে ২০২৬ সালের বসন্তকাল পর্যন্ত এই সংখ্যা পৌঁছাবে প্রায় ২০ লাখে।

ক্রিমিয়া উপদ্বীপকে রুশ ভূখণ্ড হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির প্রতিশ্রুতি দিয়েও তা রক্ষা না করা এবং ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য কিয়েভের তদবিরের জেরে কয়েক বছর ধরে টানাপোড়েন চলার পর ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রুশ বাহিনী। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের নির্দেশে শুরু হওয়া সেই অভিযান এখনো চলছে।

সূত্র : এএফপি

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়