শিরোনাম
◈ হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ইসরায়েলি শীর্ষ কর্মকর্তা ◈ ৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফে অসন্তোষ, বিইআরসিকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ মন্ত্রণালয়ের ◈ ‘আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’, মায়ের মৃত্যু নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বুয়েট অধ্যাপক ◈ কুমির সরিয়ে নেওয়া ঠিক হয়নি, মাজারের দিঘিতে ফেরত চাইলেন খাদেম ◈ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ বিশ্বকাপ মোবাইলে খেলা দেখবেন যেভাবে ◈ ইরান অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা, আর ধারাবাহিক হামলা চালাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র: রুবিও ◈ স্বামী-সন্তান কানাডা প্রবাসী, সেই মিরপুরেই মিলল আরেক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ ◈ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সীমান্তে বিএসএফের ১০টি পুশইন অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ◈ অবশেষে পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান

প্রকাশিত : ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ১২:১০ দুপুর
আপডেট : ২৯ মে, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যুদ্ধ-অবরোধের মধ্যেও গাজায় ৫০০ ফিলিস্তিনির কোরআন হিফজ, সম্মাননা অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

দখলদার ইসরাইলি বাহিনীর আগ্রাসনের মধ্যেই গাজা উপত্যকায় ৫০০ ফিলিস্তিনি পবিত্র কোরআন মুখস্ত করেছেন। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) গাজা সিটির আল-শাতি শরণার্থী শিবিরে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদের সম্মাননা জানানো হয়।

এক প্রতিবেদনে টিরআরটি ওয়ার্ল্ড জানিয়েছে, স্থানীয় ধর্মীয় ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলোর আয়োজনে এ অনুষ্ঠানে হিফজ সম্পন্ন করা সদস্যদের পরিবার, আলেম, শিক্ষক ও বাসিন্দারা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অনেকেই যুদ্ধের সময় একাধিকবার বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

কোরআন তেলাওয়াত, দোয়া ও বক্তব্যের মাধ্যমে অব্যাহত বোমাবর্ষণ, অবরোধ ও মানবিক বিপর্যয়ের মুখে ধৈর্য, বিশ্বাস ও অবিচলতার বার্তা তুলে ধরা হয়।

আয়োজকরা জানিয়েছেন, নিরবচ্ছিন্ন বিমান হামলা, বিদ্যুৎ ও বিশুদ্ধ পানির সংকট, নিরাপদ আশ্রয়ের অভাব এবং স্বজন হারানোর বেদনার মধ্যে অত্যন্ত কঠিন পরিস্থিতিতে তারা পবিত্র কোরআন মুখস্থ করেছেন। অনেকেই বিপুল সংখ্যক লোকের ভিড়ের আশ্রয়কেন্দ্রে, ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি বা অস্থায়ী শ্রেণিকক্ষে মোমবাতির আলোতে পড়াশোনা করেছেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, যুদ্ধকালীন সময়ে কোরআন হিফজ কেবল ব্যক্তিগত ধর্মীয় অর্জন নয়, এটি ফিলিস্তিনি পরিচয় ও সংস্কৃতি সংরক্ষণের একটি সম্মিলিত প্রতিরোধের প্রতীক।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে একজন আয়োজক বলেন, ‘যখন ইসরাইল আমাদের জীবন, সংস্কৃতি ও ভবিষ্যৎ মুছে দিতে চায়, তখন এই হাফেজ ও হাফেজারা আল্লাহর বাণীকে নিজেদের হৃদয়ে সংরক্ষণ করে রেখেছেন।’

উপস্থিত ধর্মীয় আলেমরা জানান, দীর্ঘদিনের অবরোধ ও একাধিক সামরিক অভিযানের পরও গাজায় কোরআন শিক্ষার ঐতিহ্য রয়েছে। যুদ্ধের সময় বহু হিফজ কেন্দ্র ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হলেও স্বেচ্ছাসেবী উদ্যোগ ও পারিবারিক নেটওয়ার্কের মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম অনানুষ্ঠানিকভাবে চলতে থাকে।

অভিভাবকেরা জানান, বোমা পড়া শব্দের মধ্যে এবং জীবনযাত্রা কঠিন হয়ে ওঠার সময় তাদের সন্তানরা সান্ত্বনা ও শক্তির জন্য কোরআনের আশ্রয় নিয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়