শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন ◈ শত্রু দেশ যুক্তরা‌স্ট্রে খেলা ইরা‌নের, দেশের মানুষের মুখে হাসি ফোটা‌তে মনপ্রাণ উজাড় ক‌রে খেল‌বেন ইরানি ফুটবলাররা

প্রকাশিত : ২২ নভেম্বর, ২০২৫, ১০:৩১ দুপুর
আপডেট : ১১ মে, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সন্ত্রাসবিরোধী অভিযানে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে ভারতপন্থি ২৩ সন্ত্রাসী নিহত

পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে কুররম জেলায় তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তানের (টিটিপি) ২৩ সন্ত্রাসী – যারা ‘খারিজি’ নামেও পরিচিত – নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার দেশটির সামরিক বাহিনীর গণমাধ্যম শাখা (আইএসপিআর) এ তথ্য জানিয়েছে।

এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই অভিযানগুলো দেশের চলমান সন্ত্রাসবিরোধী প্রচেষ্টা ‘আযম-ই-ইস্তেহকাম’-এর অংশ।

আইএসপিআর জানিয়েছে, প্রথম অভিযানে কুররম এলাকার একটি খারিজি গ্রুপকে লক্ষ্য করে নিরাপত্তা বাহিনী আঘাত হানে। তীব্র গোলাগুলির ঘটনায় সেখানে ১২ সন্ত্রাসী নিহত হয়। এরপর নতুন গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে একই অঞ্চলে আরেকটি গ্রুপকে লক্ষ্য করে দ্বিতীয় অভিযান চালানো হয়, যেখানে আরও ১১ খারিজি সদস্যকে হত্যা করা হয়। উভয় গ্রুপই ভারতীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।

কুররম অঞ্চলে অবশিষ্ট সন্ত্রাসীদের খুঁজে বের করতে সাঁড়াশি অভিযান চলছে। আইএসপিআর বলেছে, বিদেশি পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত যেকোনো ধরনের সন্ত্রাস দমনে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলো দৃঢ় প্রতিজ্ঞ।

ফেডারেল অ্যাপেক্স কমিটির অনুমোদিত ন্যাশনাল অ্যাকশন প্ল্যানের অধীনে ‘আযম-ই-ইস্তেহকাম’ ভিশন বাস্তবায়নের মাধ্যমে জাতীয় নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা রক্ষায় এসব অভিযান পরিচালিত হচ্ছে।

আইএসপিআর আরও জানায়, গোয়েন্দা তথ্যনির্ভর সন্ত্রাসবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে। বিবৃতিতে বলা হয়, ‘বিদেশি পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত সন্ত্রাসের মূলোৎপাটনে পূর্ণ গতিতে অভিযান চালিয়ে যাবে নিরাপত্তা বাহিনী।’

সূত্র: যুগান্তর

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়