শিরোনাম
◈ হিজবুল্লাহর ড্রোন হামলা থেকে অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ইসরায়েলি শীর্ষ কর্মকর্তা ◈ ৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফে অসন্তোষ, বিইআরসিকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ মন্ত্রণালয়ের ◈ ‘আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’, মায়ের মৃত্যু নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বুয়েট অধ্যাপক ◈ কুমির সরিয়ে নেওয়া ঠিক হয়নি, মাজারের দিঘিতে ফেরত চাইলেন খাদেম ◈ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ বিশ্বকাপ মোবাইলে খেলা দেখবেন যেভাবে ◈ ইরান অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা, আর ধারাবাহিক হামলা চালাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র: রুবিও ◈ স্বামী-সন্তান কানাডা প্রবাসী, সেই মিরপুরেই মিলল আরেক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ ◈ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সীমান্তে বিএসএফের ১০টি পুশইন অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ◈ অবশেষে পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান

প্রকাশিত : ২৪ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:২৯ দুপুর
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আল-আকসা মসজিদ ভেঙে ফেলার ষড়যন্ত্র: মসজিদের নিচে ইসরাইলের সুড়ঙ্গ খনন, ধসে পড়ার শঙ্কা

দীর্ঘদিন ধরেই পবিত্র আল-আকসা মসজিদ ভেঙে ফেলার ষড়যন্ত্র করছে ইসরাইল। পরিকল্পনার অংশ হিসাবে মসজিদের আশপাশে খননকাজ চালাচ্ছে দখলদাররা। এমন ঘটনায় ঐতিহ্যবাহী এই মসজিদের ধসে পড়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি ফিলিস্তিনি সংবাদসংস্থা ওয়াফা এজেন্সিতে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এমনটাই জানিয়েছে জেরুজালেম গভর্নরেটের উপদেষ্টা মারুফ আল-রিফাই।

আল-রিফাই অভিযোগ করেন, এই সুড়ঙ্গ খনন জেরুজালেমের পুরোনো শহরের ঐতিহাসিক ও ইসলামি স্থাপনাগুলোকে ‘ইহুদিকরণের’ একটি বৃহত্তর পরিকল্পনার অংশ। বিষয়টি ইসলামি আইনের পরিপন্থী।

তিনি ব্যাখ্যা করেন, সুড়ঙ্গগুলো ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ ‘সিটি অব ডেভিড’ নামে ডাকে। ফলে এখানে একাধিক পরিবর্তন আনতে চাচ্ছেন তারা। মসজিদের পাশে পুরোনো জলপথ শুকিয়ে সুড়ঙ্গ, জাদুঘর ও সিনাগগে (ইহুদি উপাসনালয়) রূপান্তরিত করা হয়েছে। ‘জাব্বানা মার্কেট’ নামে পরিচিত একটি সুড়ঙ্গকে এখন ইহুদি পর্যটন পথে পরিণত করা হয়েছে।

এটি আল-আকসা মসজিদের নিচের অবকাঠামোকে হুমকির মুখে ফেলেছে। জেরুজালেম প্রশাসন জানায়, ইসরাইল ‘ধর্মীয় গল্পগাঁথার’ অজুহাতে ওই এলাকায় নতুন করে দখল বাস্তবতা তৈরি করছে। যাতে করে ফিলিস্তিনি উপস্থিতি মুছে ফেলে বসতি স্থাপনকারীদের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করা যায়।

পাশাপাশি এটি মূলত পুরোনো জেরুজালেমের আরব-ইসলামি চরিত্র মুছে ফেলার একটি পরিকল্পিত পদক্ষেপ। আন্তর্জাতিক তদারকির আড়ালে গোপনে বা আধা-গোপনে এই খননগুলো হচ্ছে। ফলে বিষয়টি আল-আকসা মসজিদের স্থাপত্যিক স্থিতিশীলতাকে দুর্বল করার হুমকি দিচ্ছে।

বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই প্রচেষ্টা ‘জেরুজালেমকে একটি ইহুদি শহর’ প্রমাণ করার ইহুদিকরণ প্রকল্পের অংশ। তবে এ ঘটনা ছাড়াও দখলদার ইসরাইল ‘মিথ্যা ধর্মীয় দাবির’ অজুহাতে শেখ জাররাহ মহল্লাায় ইহুদি বসতি সম্প্রসারণ ও দখল জোরদার করছে। ওই এলাকায় কঠোর সামরিক অবরোধ জারি করে স্থানীয় বাসিন্দাদের চলাচল সীমিত করা হয়েছে।

বিশেষ বিশেষ সময়ে (খেয়াল-খুশিমতো) এলাকাজুড়ে ইসরাইলি সামরিক যান মোতায়েন করা হয়। বসানো হয় একাধিক তলা বিশিষ্ট চৌকি এবং বন্ধ করে দেওয়া হয় প্রধান সড়কগুলো। এতে স্থানীয় বাসিন্দাদের দৈনন্দিন জীবন প্রায় অচল হয়ে পড়ে। সূত্র: যুগান্তর 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়