শিরোনাম
◈ এশিয়ান গেমস ক্রিকে‌টে বাংলা‌দেশসহ ১০ দল চূড়ান্ত, অ‌ক্টোব‌রে খেলা হ‌বে জাপা‌নে  ◈ গ‌্যাংস্টার দাউদ ইব্রাহিমের হুম‌কি‌তে আ‌মি প্রস্রাব ক‌রে দেই, আইপিএলের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা শোনালেন ললিত মো‌দি ◈ আগস্টে ইউপি নির্বাচনের তফসিল, আচরণবিধিতে আসছে বড় পরিবর্তন ◈ হামে ও উপসর্গে মৃত্যু বেড়ে ৬১০, ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেল আরও ৫ শিশুর ◈ পাহাড়ি অঞ্চলে সফল আর্লি ওয়ার্নিং মডেল: আগাম সতর্কবার্তায় কমছে প্রাণহানি, ভূমিধস মোকাবিলায় নতুন আশার আলো ◈ মার্কিন ভিসা আবেদনকারীদের সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইল ‘পাবলিক’ রাখার নির্দেশ দিয়েছে ঢাকাস্থ মার্কিন দূতাবাস ◈ মিথ্যা কাহিনি ও জাল কাগজে অ্যাসাইলাম, হাজারো আবেদন বাতিলের হুঁশিয়ারি ◈ ট্রাম্পের অকথ্য ভাষায় গালাগাল প্রসঙ্গে নেতানিয়াহুে এবার যা বললেন ◈ মধ্যপ্রাচ্যের যে ১৪ দেশে নতুন সতর্কতা জারি করল যুক্তরাষ্ট্র ◈ বি‌শ্বের নেতৃত্ব নি‌য়ে যুক্তরাস্ট্র, রা‌শিয়া ও চী‌নের ম‌ধ্যে রশি টানাটানি

প্রকাশিত : ১৫ অক্টোবর, ২০২৫, ১০:৩৮ দুপুর
আপডেট : ০১ জুন, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চীনের বাঁধ পরিকল্পনায় পাল্টা প্রস্তুতি ভারতের, তিব্বত বাঁধের জবাবে ব্রহ্মপুত্রে ৭৭ বিলিয়ন ডলারের প্রকল্প ঘোষণা

চীনের তিব্বতে ব্রহ্মপুত্র নদীর উজানে বিশাল বাঁধ নির্মাণের প্রেক্ষাপটে ভারতও নতু ঘোষণা দিয়েছে। দিল্লি ৭৭ বিলিয়ন ডলারের এক বৃহৎ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।

ভারতের কেন্দ্রীয় বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ সেন্ট্রাল ইলেকট্রিসিটি অথরিটি সোমবার জানিয়েছে, ২০৪৭ সালের মধ্যে ব্রহ্মপুত্র অববাহিকা থেকে ৭৬ গিগাওয়াটেরও বেশি জলবিদ্যুৎ উৎপাদন ও পরিবহণের জন্য এই পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

রিপোর্ট অনুযায়ী, এই বিশাল প্রকল্পের আওতায় উত্তর-পূর্ব ভারতের ১২টি উপ-অববাহিকায় মোট ২০৮টি বৃহৎ জলবিদ্যুৎ প্রকল্প গড়ে তোলা হবে। এর মধ্যে ৬৪.৯ গিগাওয়াট সাধারণ জলবিদ্যুৎ এবং অতিরিক্ত ১১.১ গিগাওয়াট পাম্পড স্টোরেজ প্ল্যান্টের মাধ্যমে উৎপন্ন হবে।

ব্রহ্মপুত্র নদী তিব্বতের উজান থেকে উৎপন্ন হয়ে ভারতের অরুণাচল প্রদেশ ও আসাম অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে।ভারতের বিশাল জলবিদ্যুৎ সম্ভাবনার উৎস বলে মনে করা হয়। শুধুমাত্র অরুণাচল প্রদেশেই রয়েছে প্রায় ৫২.২ গিগাওয়াট সম্ভাবনা।

তবে নদীটির আন্তর্জাতিক চরিত্র এবং চীনের সীমানা সংলগ্ন অবস্থান ভারতের জন্য কৌশলগত চ্যালেঞ্জও তৈরি করেছে। ভারত আশঙ্কা করছে, চীন যদি ইয়ারলুং জ্যাংবো নদীর উপর বাঁধ নির্মাণ সম্পূর্ণ করে, তাহলে শুকনো মৌসুমে ভারতের দিকে প্রবাহ ৮৫ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে।

ভারতের লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০০ গিগাওয়াট অ-জীবাশ্ম জ্বালানি নির্ভর বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং ২০৭০ সালের মধ্যে নেট জিরো নির্গমন অর্জন করা।

সূত্র: এনডিটিভি

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়