শিরোনাম
◈ নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফে অসন্তোষ, বিইআরসিকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ মন্ত্রণালয়ের ◈ ‘আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’, মায়ের মৃত্যু নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বুয়েট অধ্যাপক ◈ কুমির সরিয়ে নেওয়া ঠিক হয়নি, মাজারের দিঘিতে ফেরত চাইলেন খাদেম ◈ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ বিশ্বকাপ মোবাইলে খেলা দেখবেন যেভাবে ◈ ইরান অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা, আর ধারাবাহিক হামলা চালাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র: রুবিও ◈ স্বামী-সন্তান কানাডা প্রবাসী, সেই মিরপুরেই মিলল আরেক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ ◈ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সীমান্তে বিএসএফের ১০টি পুশইন অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ◈ অবশেষে পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান ◈ তাপপ্রবাহে পুড়ছে দেশ, দিনাজপুরে সর্বোচ্চ ৩৮.৫° সেলসিয়াস, আজও ঝড়-বৃষ্টির আভাস ◈ মার্কিন অবরোধের প্রভাব: ভিসা-মাস্টারকার্ড লেনদেন স্থগিতের ঘোষণা কিউবার

প্রকাশিত : ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ১০:২০ দুপুর
আপডেট : ১৩ মে, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গাজা শহরের কেন্দ্রে দুই দিক থেকে প্রবেশ করছে ইসরায়েলি সেনারা

সূত্র-আল-জাজিরা: গাজা শহরের কেন্দ্রের দিকে দুই দিক থেকে অগ্রসর হচ্ছে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী। এতে শহরবাসীরা বাধ্য হচ্ছেন উপকূলের দিকে সরে যেতে।

বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র নাদাভ শোশানি জানান, হামাসের ওপর চাপ বাড়াতে সেনাবাহিনীর পদাতিক, ট্যাংক ও গোলন্দাজ ইউনিট বিমান বাহিনীর সহায়তায় শহরের অভ্যন্তরে অগ্রসর হচ্ছে।

ইসরায়েলি সেনারা শহরের উত্তর-পশ্চিম এবং দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে অগ্রসর হচ্ছে, ফলে সাধারণ মানুষ মাঝখানে ফেঁসে গিয়ে পশ্চিম দিকে সরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন—যেখানে অবস্থিত আল-রশিদ উপকূলীয় সড়ক, যা দক্ষিণের দিকে চলে গেছে।

তাছাড়া অতিরিক্ত জনবহুল এলাকাগুলোর ওপর চালানো হামলায় আতঙ্ক ও ভয় ছড়িয়ে পড়েছে। মানুষ জীবন বাঁচাতে দৌড়ে পালাচ্ছেন। এখন আমরা মানুষের ঢল দেখছি যারা বাঁচার জন্য ছুটে চলেছেন।

গাজা শহরের বাসিন্দারা জানিয়েছেন, সেখানে ড্রোন ও যুদ্ধবিমান থেকে অব্যাহত বিমান হামলা হচ্ছে। এ ছাড়া ইসরায়েলি বাহিনী নিয়ন্ত্রিত বিস্ফোরকবোঝাই রোবট যান ব্যবহার করে এলাকা ধ্বংস করছে।

চিকিৎসা সূত্র জানিয়েছে, শুধু বৃহস্পতিবার গাজা শহরে কমপক্ষে ৪০ জন নিহত হয়েছেন।

এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে অনেক পরিবার আবারও বাস্তুচ্যুত হওয়ার শঙ্কায় আছেন—এবার এমন এক পরিস্থিতিতে, যেখানে ‘নিরাপদ অঞ্চল’ বলে কিছু নেই এবং তারা হয়তো আর কখনো ঘরে ফিরতে পারবেন না।

তবে এতকিছুর পরও অনেকেই নিজেদের জায়গা ছাড়েননি। ফিলিস্তিনি পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যমতে, মঙ্গলবার পর্যন্ত গাজার উত্তরাঞ্চলে এখনো প্রায় ৭ লাখ ৪০ হাজার মানুষ অবস্থান করছেন—যা মোট জনসংখ্যার প্রায় ৩৫ শতাংশ। 

অনুবাদ: জাগো নিউস ২৪ 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়