শিরোনাম
◈ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সীমান্তে বিএসএফের ১০টি পুশইন অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ◈ অবশেষে পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান ◈ তাপপ্রবাহে পুড়ছে দেশ, দিনাজপুরে সর্বোচ্চ ৩৮.৫° সেলসিয়াস, আজও ঝড়-বৃষ্টির আভাস ◈ মার্কিন অবরোধের প্রভাব: ভিসা-মাস্টারকার্ড লেনদেন স্থগিতের ঘোষণা কিউবার ◈ মেডিকেলের ছাত্রীরা বছরের পর বছর যৌন হয়রানির শিকার, কমপক্ষে ৩০ জনের অভিযোগ ◈ দ‌ক্ষিণ আ‌ফ্রিকার টি-টোয়েন্টিতে খেল‌বেন রিশাদ হো‌সেন! ◈ ১৩ বছর পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের মা‌টি‌তে ওয়ান‌ডে জ‌য়ের স্বাদ পে‌লো  শ্রীলঙ্কা ◈ নতুন-পুরনো সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা: এনআইডি ব্লকের প্রস্তুতি, নতুন তালিকা হচ্ছে, নজরদারিতে স্বজনরাও ◈ বিদ্যুৎ দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে আজ সারা দেশে জামায়াতের বিক্ষোভ ◈ বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ডিসেম্বরে নিউজিল্যান্ড সফ‌রে যাচ্ছে

প্রকাশিত : ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৫১ রাত
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঢাবির রাষ্ট্রবিজ্ঞান পরীক্ষায় ওসমান হাদিকে নিয়ে প্রশ্ন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্স শ্রেণির এক পরীক্ষায় শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদিকে ঘিরে প্রশ্ন আসায় আলোচনা তৈরি হয়েছে। ওসমান হাদি নিজেও এ বিভাগের ২০১০-১১ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র ছিলেন। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হওয়া মাস্টার্স দ্বিতীয় সেমিস্টারের ‘পলিটিক্স অ্যান্ড ল : গ্লোবাল অ্যান্ড ন্যাশনাল ইনস্টিটিউশনস, ইন্সট্রুমেন্টস অ্যান্ড ইস্যুজ’ শীর্ষক কোর্সের ফাইনাল পরীক্ষার একটি প্রশ্নে ওসমান হাদির ‘জান দেবো, তবু জুলাই দেবো না’ এবং ‘আমি আমার শত্রুর সাথেও ইনসাফ করতে চাই’ উক্তি দুটির ভিত্তিতে মানবাধিকারের জন্য তার সংগ্রাম ব্যাখ্যা করতে বলা হয়।

একই পরীক্ষায় ‘আয়নাঘর’ প্রসঙ্গেও প্রশ্ন ছিল। একটি ‘সিস্টেমেটিক টুল’ হিসেবে ‘আয়নাঘর’ কীভাবে স্বৈরতন্ত্র টিকিয়ে রেখেছিল সেটি ব্যাখ্যা করতে বলা হয় পরীক্ষার্থীদের।

কোর্সটি পড়ান বিভাগের অধ্যাপক মো. শরীফুল ইসলাম। তিনি বলেন, আমাদের দেশে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে পাঠদানে বর্তমানকে উপেক্ষা করার প্রবণতা রয়েছে। জুলাই বিপ্লব, আয়নাঘর, শহীদ ওসমান হাদির আগ্রাসনবিরোধী প্রতিরোধ সংগ্রাম ও ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবার জন্য ইনসাফের ধারণা– ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় গবেষণা শুরু করেছে। অথচ আমাদের দেশে বিষয়গুলো উপেক্ষিত। এ বিষয়গুলোকে অ্যাকাডেমিক ডিসকোর্সের আওতায় এনে আমি আমার ছাত্রদের এ-সংক্রান্ত উচ্চতর গবেষণায় উদ্বুদ্ধ করে তুলতে চেয়েছি।

তিনি আরও বলেন, আরও একটি কারণ রয়েছে। যারা এ বছর পরীক্ষা দিচ্ছে এবং গত বছর পরীক্ষা দিয়েছে তাদের অনেকেই জুলাই বিপ্লবের অগ্রসৈনিক। তাদের সতীর্থদের অনেকেই শহীদ হয়েছে, অনেকেই পঙ্গুত্ব বরণ করেছে, অনেকেরই চিরতরে চোখের আলো নিভে গেছে। এসব বীরদের অধিকার রয়েছে তাদের নিজেদের তৈরি ইতিহাসকে নিয়ে চর্চা করার।

উল্লেখ্য, গত বছরও রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের মাস্টার্সের একই কোর্সের পরীক্ষায় জুলাই বিপ্লব সংশ্লিষ্ট প্রশ্ন এলে বিষয়টি সেসময়ও আলোচনায় আসে।

সূত্র: কালবেলা

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়