শিরোনাম
◈ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া ওয়ানডে সিরিজের ম্যাচ দেখা যা‌বে সর্বনিম্ম ২০০ টাকায়  ◈ ঝুঁকিতে বিশ্বের ১৫ দেশ: আগামী ৫০ বছরে হারিয়ে যেতে পারে পৃথিবীর মানচিত্র থেকে ◈ আপা ডাকায় নয়, পুরোনো বাসি মিষ্টি পাওয়ায় জরিমানা করেছি: সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মুনমুন নাহার আশা ◈ শার্শায় আইনজীবী মিন্টুকে গ্রেফতারচেষ্টা, গ্রামবাসীর বাধায় ব্যর্থ পুলিশ ◈ বিদেশি বিনিয়োগ আনা বাংলাদেশিদের পুরস্কৃত করবে সরকার ◈ জাপানি কনসোর্টিয়ামের সাথে চুক্তি ১৯ জুলাইয়ের মধ্যে, ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে চালু হচ্ছে শাহজালাল বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল ◈ ইন্টারপোল রেড নোটিশভুক্ত নজরুল ইসলাম লিবিয়ায় গ্রেফতার ◈ এই বিজয় বাংলাদেশ ও গণতন্ত্রের বিজয়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পল্লবীতে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: যে কারণে স্বপ্না হঠাৎ স্বামী সোহেল রানাকে মারতে তেড়ে যান ◈ তোফায়েলের জানাজা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, মুখ খুললেন হাছান মাহমুদ

প্রকাশিত : ২৭ মার্চ, ২০২৬, ০৯:২৮ সকাল
আপডেট : ৩০ মে, ২০২৬, ০৩:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সোনার দামে দীর্ঘমেয়াদি পতনের ইঙ্গিত

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাত ও উত্তেজনার প্রভাব পড়েছে সোনার বাজারেও। ট্রেডারদের মতে, যদি সোনার দাম প্রতি আউন্স ৪,১০০ মার্কিন ডলারের ওপরে স্থিতিশীল থাকতে না পারে, তাহলে এটিকে দীর্ঘমেয়াদি নিম্নমুখী প্রবণতার সূচনা হিসেবে ধরা যেতে পারে। এমন পরিস্থিতি চলতি সপ্তাহেই দেখা দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সোমবার (২৩ মার্চ) সোনার দাম ৫ শতাংশের বেশি কমে প্রতি আউন্স ৪,৩০০ ডলারের নিচে নেমে আসে, যা ২০২৬ সালের মধ্যে সর্বনিম্ন। ইরান, ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রকে ঘিরে চলমান উত্তেজনা এবং পাল্টাপাল্টি হুমকির কারণে এই পতন ঘটেছে।

চলতি সপ্তাহের শুরুতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে হরমুজ প্রণালি খুলে দিতে ৪৮ ঘণ্টার সময়সীমা দেন, অন্যথায় বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার হুমকি দেন। এর জবাবে ইরানও হুমকি দেয়, তারা প্রণালিটি পুরোপুরি বন্ধ করে দেবে এবং যুক্তরাষ্ট্র-সংশ্লিষ্ট আর্থিক ও সামরিক স্থাপনাগুলো লক্ষ্যবস্তু করবে। এতে সংঘাত আরও দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

থাইল্যান্ডের স্বনামধন্য গোল্ড ট্রেডিং প্রতিষ্ঠান হুয়া সেং হেং-এর এক কর্মকর্তা জানান, বাজারে বর্তমানে ৪,২৩৫ ও ৪,১০০ ডলার দুটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরোধ স্তর হিসেবে কাজ করছে। যদি দাম ৪,১০০ ডলারের নিচে নেমে যায়, তাহলে দীর্ঘ সময় ধরে দাম কমার প্রবণতা দেখা যেতে পারে। তিনি মনে করেন, বছরের শেষে দাম ৪,০০০ ডলারের নিচেও নেমে যেতে পারে।

থাইল্যান্ডের স্থানীয় বাজারেও সোনার দর কমেছে। প্রতি বাহাত-ওজন সোনার দাম ৭০ হাজার বাথের নিচে নেমে ৬৫ হাজার বাথে লেনদেন হয়েছে এবং দিনে বহুবার দামের ওঠানামা লক্ষ্য করা গেছে।
যদিও সোনা সাধারণত মুদ্রাস্ফীতির বিরুদ্ধে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত, তবুও গত সপ্তাহে এর দাম ১০ শতাংশের বেশি কমেছে। বৈশ্বিক সুদের হার বাড়ার সম্ভাবনা এবং অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এই পতনে ভূমিকা রেখেছে। বাজারে ধারণা করা হচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল রিজার্ভ চলতি বছর সুদের হার বাড়াতে পারে।

তবে গোল্ড ট্রেডার্স অ্যাসোসিয়েশনের এক কর্মকর্তা সতর্ক করে বলেছেন, সোনার দাম আরও ১০০ থেকে ২০০ ডলার পর্যন্ত কমতে পারে। তিনি বিনিয়োগকারীদের অযথা জল্পনামূলক লেনদেন থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। যদিও তার মতে, দাম ৪,০০০ ডলারের নিচে নামার সম্ভাবনা কম এবং দীর্ঘমেয়াদে সোনার বাজার ঊর্ধ্বমুখীই থাকবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়