শিরোনাম
◈ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সীমান্তে বিএসএফের ১০টি পুশইন অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ◈ অবশেষে পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান ◈ তাপপ্রবাহে পুড়ছে দেশ, দিনাজপুরে সর্বোচ্চ ৩৮.৫° সেলসিয়াস, আজও ঝড়-বৃষ্টির আভাস ◈ মার্কিন অবরোধের প্রভাব: ভিসা-মাস্টারকার্ড লেনদেন স্থগিতের ঘোষণা কিউবার ◈ মেডিকেলের ছাত্রীরা বছরের পর বছর যৌন হয়রানির শিকার, কমপক্ষে ৩০ জনের অভিযোগ ◈ দ‌ক্ষিণ আ‌ফ্রিকার টি-টোয়েন্টিতে খেল‌বেন রিশাদ হো‌সেন! ◈ ১৩ বছর পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের মা‌টি‌তে ওয়ান‌ডে জ‌য়ের স্বাদ পে‌লো  শ্রীলঙ্কা ◈ নতুন-পুরনো সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর বার্তা: এনআইডি ব্লকের প্রস্তুতি, নতুন তালিকা হচ্ছে, নজরদারিতে স্বজনরাও ◈ বিদ্যুৎ দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে আজ সারা দেশে জামায়াতের বিক্ষোভ ◈ বাংলাদেশ ক্রিকেট দল ডিসেম্বরে নিউজিল্যান্ড সফ‌রে যাচ্ছে

প্রকাশিত : ২৪ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:৪৯ দুপুর
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ০১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

যে কৌশলে ছাত্রীদের যৌন নিপীড়ন করতেন লম্পট জাকির!

মো. জাকির হোসেন খন্দকার। কেরানীগঞ্জের ব্রাইট লাইফ কিন্ডারগার্টেন অ্যান্ড হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক। প্রথমে স্কুলের সুশ্রী কিশোরী ছাত্রীদের টার্গেট করতেন জাকির। পড়াশোনার খোঁজখবর নেয়ার কথা বলে কৌশলে তাদের সংগ্রহ করতেন মোবাইল নম্বর। এরপর ফোনে আপত্তিকর মেসেজ পাঠাতেন। সুযোগ-বুঝে স্কুলের ফাঁকা রুমে ডেকে নিয়ে শ্লীলতাহানির চেষ্টা করতেন। সূত্র: মানবজমিন

এভাবে চার কিশোরী জাকিরের ফাঁদে পড়ে যৌন হয়রানির শিকার হয়। জাকিরের নিপীড়ন সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করে এক শিক্ষার্থী। এমন অপকর্মের খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে গত ১৯শে এপ্রিল জাকিরকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়।

গত সোমবার চার শিক্ষার্থী তাদের সঙ্গে ঘটে যাওয়া শ্লীলতাহানির ঘটনা আদালতে তুলে ধরে। এক শিক্ষার্থী জবানবন্দিতে বলে, ২০২৫ সালে ব্রাইট লাইফ কিন্ডারগার্টেন স্কুলে ভর্তি হয়। ভর্তি হওয়ার তিনদিন পর ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষকের টার্গেটে পড়ে সে। একদিন কৌশলে তার ফোন নম্বর নেন। এরপর বন্ধুত্বের অফার দেন। ফোনে নানা রকম বাজে মেসেজ পাঠানো শুরু করেন।

কয়েকদিন পর বিয়ের প্রস্তাব দেন। একদিন স্কুল ছুটির পর তার রুমে ওই ছাত্রীকে ডাকেন। কথামতো বাধ্য হয়ে ওই শিক্ষকের রুমে প্রবেশ করে। হঠাৎ করেই তাকে জড়িয়ে ধরে। বহু চেষ্টার পরও তাকে ছাড়ে নাই। পরে তাকে এ ঘটনার খবর কাউকে না বলার জন্য ভয় দেখান। বললে স্কুল থেকে টিসি দিয়ে তার জীবন ধ্বংস করে দেয়ারও হুমকি দেন। এই ভয়ে সে প্রথমে কাউকে এ ঘটনা জানায়নি। কিন্তু তিনি প্রায়ই ফোন দিয়ে তাকে ডিস্টার্ব করা অব্যাহত রাখেন। তার সঙ্গে সময় দিতে বলতেন।

ফের একদিন তিনি তাকে স্কুলে ডেকে নেন। এবার জোর করে তার জামা কাপড় খুলে ফেলেন। শুধু তাই নয়, এই অবস্থায় তার ভিডিও করা হয়। এবারও আগের মতো কাউকে বললে ভিডিও ভাইরাল করে দেয়ার হুমকি দেয়। কয়েকদিন পর ভিডিও ভাইরাল করে দেয়ার কথা বলে ধর্ষণের চেষ্টা করে তাকে। ওই শিক্ষার্থী বলে, এই শিক্ষক শুধু তার সঙ্গে নয়, আরও অনেক ছাত্রীর সঙ্গে এমন কাজ করেছেন। শুধু তাই নয়, ওই শিক্ষার্থীর ছোট বোনের সঙ্গেও এমনটি করেছেন বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেছে সে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়