শিরোনাম
◈ নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফে অসন্তোষ, বিইআরসিকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ মন্ত্রণালয়ের ◈ ‘আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’, মায়ের মৃত্যু নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বুয়েট অধ্যাপক ◈ কুমির সরিয়ে নেওয়া ঠিক হয়নি, মাজারের দিঘিতে ফেরত চাইলেন খাদেম ◈ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ বিশ্বকাপ মোবাইলে খেলা দেখবেন যেভাবে ◈ ইরান অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা, আর ধারাবাহিক হামলা চালাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র: রুবিও ◈ স্বামী-সন্তান কানাডা প্রবাসী, সেই মিরপুরেই মিলল আরেক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ ◈ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সীমান্তে বিএসএফের ১০টি পুশইন অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ◈ অবশেষে পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান ◈ তাপপ্রবাহে পুড়ছে দেশ, দিনাজপুরে সর্বোচ্চ ৩৮.৫° সেলসিয়াস, আজও ঝড়-বৃষ্টির আভাস ◈ মার্কিন অবরোধের প্রভাব: ভিসা-মাস্টারকার্ড লেনদেন স্থগিতের ঘোষণা কিউবার

প্রকাশিত : ২২ মে, ২০২৬, ০৮:০২ রাত
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ভুল প্রশ্নপত্রে এসএসসি পরীক্ষা, চরভদ্রাসনে তোলপাড়

চরভদ্রাসন এবং সদরপুর (ফরিদপুর) প্রতিনিধি : উচ্চতর গণিত পরীক্ষায় ৩৪ শিক্ষার্থী পেল ভিন্ন সেটের প্রশ্ন, তিন কর্মকর্তাকে শোকজ ফরিদপুরের চরভদ্রাসন উপজেলার চরভদ্রাসন পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভুল প্রশ্নপত্রে এসএসসি উচ্চতর গণিত (সৃজনশীল) পরীক্ষা নেওয়ার ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২১ মে) বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে উপজেলা জুড়ে তোলপাড় শুরু হয়।

জানা গেছে, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের নির্দেশনা অনুযায়ী ‘নায়াগ্রা’ (৩ সেট) প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়ার কথা থাকলেও ভুলবশত ওই কেন্দ্রের ৩৪ জন পরীক্ষার্থীকে ‘সাহারা’ (১ সেট) প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা নেওয়া হয়। ঘটনাটি ঘটে গত ১৭ মে অনুষ্ঠিত উচ্চতর গণিত (সৃজনশীল) পরীক্ষায়।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, চরভদ্রাসন উপজেলায় ওই পরীক্ষায় মোট ৬৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এর মধ্যে রোকন উদ্দিন সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে ৩৪ জন পরীক্ষার্থী নির্ধারিত প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিলেও চরভদ্রাসন পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে থাকা অপর ৩৪ জন শিক্ষার্থীকে ভিন্ন সেটের প্রশ্নপত্র দেওয়া হয়।

চরহাজিগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় এর পরীক্ষার্থী মেহেদী হাসান জানান, পরীক্ষা শেষে অন্য কেন্দ্রের এক বন্ধুর প্রশ্নপত্র দেখে তারা বুঝতে পারেন একই বিষয়ের হলেও দুই কেন্দ্রে প্রশ্নপত্র সম্পূর্ণ আলাদা ছিল। পরে বিষয়টি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুনীল কুমার মণ্ডলকে জানানো হয়।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুনীল কুমার মণ্ডল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, “শিক্ষার্থী মেহেদী বিষয়টি জানালে আমি তাৎক্ষণিকভাবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে অবহিত করি। পরে তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।”

চরভদ্রাসন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা খন্দকার মাকসুদুর রহমান বলেন, “ঘটনাটি জানার পরপরই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।”

এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে কেন্দ্র সচিব শিক্ষক নজরুল ইসলাম, হল সুপার শিক্ষক মোজাহারুল হক এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত ট্যাগ অফিসার মো. জাহিদ তালুকদারকে শোকজ করা হয়েছে।

চরভদ্রাসন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুরাইয়া মমতাজ বলেন, “ঘটনাটি ১৭ মে ঘটলেও আমরা ১৮ মে বিকেলে জানতে পারি। পরে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। পরীক্ষার্থীদের আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। তারা যে প্রশ্নপত্রে পরীক্ষা দিয়েছে, সেই প্রশ্ন অনুযায়ীই খাতা মূল্যায়ন করা হবে।”

এদিকে পরীক্ষা কেন্দ্রের কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে জরুরি ভিত্তিতে নতুন কেন্দ্র সচিব, হল সুপার ও ট্যাগ অফিসার নিয়োগ দিয়ে দায়িত্ব হস্তান্তর করা হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়