সোহাইবুল ইসলাম সোহাগ, কুমিল্লা প্রতিনিধি : কুমিল্লা অঞ্চলের অনেক কৃষক ধান উৎপাদনে নির্ধারিত সময়ের তুলনায় প্রায় এক মাস পিছিয়ে। এর ফলে ফসলের উৎপাদন কমে যাওয়ার পাশাপাশি কৃষকের লাভের পরিমাণও হ্রাস পাচ্ছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে সময়মতো চাষাবাদ ও পরিকল্পিত কৃষিকাজে জোর দিতে হবে।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) সকাল ১০টায় কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে সদর দক্ষিণে এক কৃষি বিষয়ক অনুষ্ঠানে এ মন্তব্য করেন কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ রেজাউল করিম ভূঞা।
তিনি বলেন, নির্ধারিত সময়ের এক মাস দেরিতে চাষাবাদ করলে উৎপাদনে বড় ধরনের ক্ষতির আশঙ্কা থাকে। আবার আগাম চাষ করলেও কাঙ্ক্ষিত ফলন পাওয়া যায় না। তাই সঠিক সময়ে ফসল রোপণই কৃষিতে সাফল্যের মূল চাবিকাঠি।
তিনি আরও জানান, আমন ধান কাটার পর অনেক ক্ষেত্রে জমি দীর্ঘ সময় খালি পড়ে থাকে। এতে কৃষকেরা সম্ভাব্য আয় থেকে বঞ্চিত হন। ওই সময়ে শাকসবজি বা সরিষা চাষ করলে অতিরিক্ত আয় করা সম্ভব। আড়াই মাস পর্যন্ত জমি পতিত না রেখে পরিকল্পিতভাবে ব্যবহার করলে কৃষকের লাভ বাড়বে।
কুমিল্লা সদর দক্ষিণ কৃষি কর্মকর্তা জোনায়েদ কবির খান, বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ কাজে লাগিয়ে পরিকল্পিতভাবে কৃষিকাজ করলে একজন কৃষক সহজেই লাখপতি, এমনকি কোটিপতিও হতে পারেন। এজন্য সময়মতো চাষাবাদ নিশ্চিত করার পাশাপাশি পতিত জমি কমানোর বিকল্প নেই।