শিরোনাম
◈ ইউরোপের মাটিতে ইতিহাস, সান মারিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশের জয় ◈ স্বর্ণের দামে বড় পতন বিশ্ববাজারে ◈ ডিপফেক-মিথ্যা তথ্য রোধে এআই নীতিমালা আনছে সরকার ◈ গুলশানে দুটি স্পা সেন্টারে পুলিশের অভিযান, ২৮ জন আটক ◈ হাদি হত্যা মামলায় জাবেরকে বাদী করার কারণ জানতে চান বোন মাসুমা ◈ বাজেট অধিবেশন ঘিরে সংসদ ভবন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ ◈ এশিয়ান গেমস ক্রিকে‌টে বাংলা‌দেশসহ ১০ দল চূড়ান্ত, অ‌ক্টোব‌রে খেলা হ‌বে জাপা‌নে  ◈ গ‌্যাংস্টার দাউদ ইব্রাহিমের হুম‌কি‌তে আ‌মি প্রস্রাব ক‌রে দেই, আইপিএলের ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা শোনালেন ললিত মো‌দি ◈ আগস্টে ইউপি নির্বাচনের তফসিল, আচরণবিধিতে আসছে বড় পরিবর্তন ◈ হামে ও উপসর্গে মৃত্যু বেড়ে ৬১০, ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ গেল আরও ৫ শিশুর

প্রকাশিত : ২০ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:৩৬ বিকাল
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জীবননগরে কৃষকদের একদিকে বাম্পার ফলনের আশা, অন্যদিকে বৈরী আবহাওয়ার ভয়

জামাল হোসেন খোকন ,জীবননগর (চুয়াডাঙ্গা): চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় চলতি মৌসুমে বোরো ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তবে কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টির আশঙ্কায় চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছেন কৃষকরা। আকাশে মেঘ জমলেই বাড়ছে তাদের উৎকণ্ঠা। ধান কেটে ঘরে তোলা না পর্যন্ত যেন স্বস্তি মিলছে না কারও।

উপজেলার বিভিন্ন ফসলি মাঠ ঘুরে দেখা গেছে, বিস্তীর্ণ জমিজুড়ে দোল খাচ্ছে সোনালী ধানের শীষ। ধান পাকার শেষ পর্যায়ে রয়েছে। আর মাত্র ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যেই পুরোদমে ধান কাটার কাজ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।

ভালো ফলনের আশা থাকলেও বৈরী আবহাওয়ার কারণে সময়মতো ধান ঘরে তোলা নিয়ে দুশ্চিন্তা বেড়েছে।

কৃষক শাহ আলম  বলেন, “ডিজেল সংকটের কারণে সেচ দিতে কিছুটা সমস্যা হয়েছে। তবুও আল্লাহর রহমতে ধানের ফলন ভালো হয়েছে। কিন্তু ঝড়-বৃষ্টি নিয়ে খুব টেনশনে আছি। ধান ঘরে না তোলা পর্যন্ত এই দুশ্চিন্তা কাটবে না।”

অন্য কৃষক  সবুজ মিয়া জানান, “২ বিঘা জমিতে ধান চাষ করেছি। পাম্পে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে তেল এনে সেচ দিতে হয়েছে। আর এক সপ্তাহ পর ধান কাটার উপযুক্ত হবে। এখন বৈশাখ মাস, ঝড়-বৃষ্টির সময়—তাই ফসল ঘরে তোলা নিয়ে চিন্তিত।”

ধানচাষি  লাভলু মিয়া বলেন, “সপ্তাহখানেক পর থেকেই মাঠে পুরোদমে ধান কাটা শুরু হবে। একসাথে ধান কাটতে গেলে শ্রমিক সংকট দেখা দিতে পারে। তার ওপর আবহাওয়াও অনিশ্চিত—সব মিলিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়ছে।”

উপজেলার আরও অনেক কৃষকই একই ধরনের শঙ্কার কথা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন বলেন, “এবার উপজেলায় ৭ হাজার ২৬২ হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। ফলনও খুব ভালো হয়েছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি ধান উৎপাদন সম্ভব হবে। ধান ৮০ শতাংশ পেকে গেলে দ্রুত কর্তনের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে থেকে কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহায়তা দিচ্ছেন।”

সব মিলিয়ে, বাম্পার ফলনের আশার পাশাপাশি প্রাকৃতিক দুর্যোগের শঙ্কা—দুইয়ের মাঝেই দোলাচলে দিন কাটছে জীবননগরের কৃষকদের।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়