সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচিত এক ঘটনায় ইমামের মেয়ে প্রকাশ্যে এসে নতুন তথ্য দিয়েছেন। তিনি দাবি করেছেন, তাকে এবং তার পরিবারকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে অপহরণ করা হয় এবং জোরপূর্বক বিয়ের নাটক সাজানো হয়।
ভুক্তভোগী তরুণী জানান, ছুরি ও আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে তাকে বাড়ি থেকে তুলে নেওয়া হয়। অপহরণকারীরা তার বাবার বুকে পিস্তল ঠেকিয়ে এবং ছোট ভাইকে হত্যা করার হুমকি দিয়ে তাকে বিভিন্ন নথিতে স্বাক্ষর করাতে বাধ্য করে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, প্রথমে তাকে এক বন্ধুর বাসায় এবং পরে একটি রিসোর্টে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে রাতের দিকে অন্য একটি স্থানে নেওয়া হয়। তিনি অভিযোগ করেন, সেখানে সোহান ও তার সহযোগীরা মিলে বিয়ের নাটক সাজায়। উপস্থিত কাজি বা হুজুরদের পরিচয় নিয়েও তিনি সন্দেহ প্রকাশ করেছেন।
তরুণী আরও জানান, এর আগে মিডিয়া বা থানায় দেওয়া তার বক্তব্যগুলো ছিল ভয় ও চাপে দেওয়া। তাকে বলা হয়েছিল, যদি সে অপহরণকারীদের পক্ষে কথা না বলে, তবে তার বাবাকে হত্যা করা হবে।
তিনি দাবি করেন, অপহরণের সময় অভিযুক্তদের কাছে ছুরি ও আগ্নেয়াস্ত্র ছিল এবং রিকশাচালককেও ভয় দেখিয়ে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়।
আবেগাপ্লুত হয়ে তিনি বলেন, “আমার বাবার বুকে পিস্তল ঠেকানো হয়েছে, আমাকে জোর করে স্বাক্ষর করানো হয়েছে। আমি এই অন্যায়ের বিচার চাই।”
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে। সূত্র: এটিএন বাংলা নিউজ