শিরোনাম
◈ গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের ১০০ দিন: স্থিতিশীলতা, সংস্কার ও প্রবৃদ্ধির নতুন সমীকরণ ◈ ভূমি কর্মকর্তাদের ২৫ জুনের মধ্যে সম্পদের হিসাব দেওয়ার নির্দেশ ভূমি মন্ত্রণালয়ের ◈ দ. এশিয়ার স্থিতিশীলতা ও শান্তির জন্য বাংলাদেশ ‘কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ’ দেশ: তুরস্ক ◈ ইউরোপের মাটিতে ইতিহাস, সান মারিনোর বিপক্ষে বাংলাদেশের জয় ◈ স্বর্ণের দামে বড় পতন বিশ্ববাজারে ◈ ডিপফেক-মিথ্যা তথ্য রোধে এআই নীতিমালা আনছে সরকার ◈ গুলশানে দুটি স্পা সেন্টারে পুলিশের অভিযান, ২৮ জন আটক ◈ হাদি হত্যা মামলায় জাবেরকে বাদী করার কারণ জানতে চান বোন মাসুমা ◈ বাজেট অধিবেশন ঘিরে সংসদ ভবন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্র বহন ও মিছিল-সমাবেশ নিষিদ্ধ ◈ এশিয়ান গেমস ক্রিকে‌টে বাংলা‌দেশসহ ১০ দল চূড়ান্ত, অ‌ক্টোব‌রে খেলা হ‌বে জাপা‌নে 

প্রকাশিত : ১২ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:১৪ বিকাল
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঝিনাইদহে তরুণ উদ্যোক্তার আঙুর বাগান : সরকারি সহযোগিতা না পেয়ে ক্ষোভ ১১ মাসে ফলনের অপেক্ষায় ৫০০ গাছ

জামাল হোসেন খোকন, মহেশপুর (ঝিনাইদহ) : ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার সাড়াতলা এলাকায় নিজ উদ্যোগে গড়ে ওঠা একটি আঙুর বাগান নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে।

উদ্যোক্তা মোহাম্মদ ছমির উদ্দিন প্রায় ৭৭ শতক জমিতে গড়ে তুলেছেন এই বাগান, যেখানে রয়েছে প্রায় ৫০০টি আঙুর গাছ। বাগানের বয়স এখন ১১ মাস, আর আগামী মে মাসেই শুরু হবে কাঙ্ক্ষিত ফল সংগ্রহ।

উদ্যোক্তা জানান, প্রতি বিঘায় প্রায় ৩ লাখ টাকা ব্যয়ে বাগানটি তৈরি করেছেন তিনি। তার প্রত্যাশা, প্রতিটি গাছ থেকে ২৫ থেকে ৩০ কেজি পর্যন্ত আঙুর পাওয়া সম্ভব হবে। সে হিসেবে প্রথম বছরেই ভালো মুনাফার আশা করছেন তিনি।

তবে এত বড় উদ্যোগ নেওয়ার পরও এখনো পর্যন্ত স্থানীয় উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের কোনো সহযোগিতা পাননি বলে অভিযোগ করেন ছমির উদ্দিন। তিনি বলেন, “আমি নিজের উদ্যোগে সব কিছু করেছি। কিন্তু এখনো পর্যন্ত কৃষি অফিসের কেউ আমার বাগান পরিদর্শনে আসেননি। সরকারি কোনো সহায়তাও পাইনি।”

তিনি আরও বলেন, সঠিক দিকনির্দেশনা ও সরকারি সহায়তা পেলে এই বাগান আরও উন্নত করা সম্ভব হতো এবং এলাকার অন্যান্য কৃষকরাও আঙুর চাষে আগ্রহী হয়ে উঠতেন।

এদিকে, তরুণদের উদ্দেশ্যে ছমির উদ্দিন বলেন, “চাকরির পেছনে না ছুটে কিংবা বিদেশমুখী না হয়ে কৃষিতে মনোযোগ দিলে স্বল্প সময়েই লাভবান হওয়া সম্ভব। আধুনিক পদ্ধতিতে আঙুরসহ বিভিন্ন ফল চাষ করে নিজেরাই সফল উদ্যোক্তা হওয়া যায়।”

স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সক্রিয় ভূমিকা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা পেলে এ ধরনের উদ্যোগ গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এ ব্যাপারে মহেশপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা (UAO) ইয়াসমিন সুলতানার মুঠোফোনে ফোন করার পর রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়