শিরোনাম
◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান ◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন

প্রকাশিত : ০২ এপ্রিল, ২০২৬, ০৮:১০ রাত
আপডেট : ৩১ মে, ২০২৬, ০৫:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সুনামগঞ্জে তেল পাম্পে ধর্মঘট : বিক্ষোভে অচল মহাসড়ক

নূর উদ্দিন, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট এবং পাম্প কর্তৃপক্ষের আকস্মিক ‘অঘোষিত ধর্মঘটে’ চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সুনামগঞ্জের সাধারণ মানুষ ও পরিবহন শ্রমিকেরা। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়েও তেল না পেয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েন চালকরা। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়কের মল্লিকপুর এলাকায় গাছ ফেলে অবরোধ সৃষ্টি করেন তারা। এতে সড়কের দুপাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়ে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। ​

সরেজমিনে শহরের সিনথিয়া, বলাকা ও ছফেদা ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায় এক ভুতুড়ে পরিস্থিতি। পাম্পের কাউন্টারগুলো বন্ধ, নেই কোনো কর্মকর্তা বা কর্মচারী। ভোর থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা শত শত মোটরসাইকেল, সিএনজি ও বাস চালক অপেক্ষা করেও তেলের দেখা পাননি।

​ক্ষুব্ধ চালক উজ্জ্বল মিয়া বলেন, "কিস্তিতে মোটরসাইকেল কিনেছি। প্রতিদিনের আয় দিয়ে সংসার চলে। পাম্প বন্ধ থাকলে কিস্তি দেব কীভাবে আর পরিবারকেই বা কী খাওয়াব?" একই আক্ষেপ সিএনজি চালক মশিউরের। তিনি জানান, দেশে পেট্রোলের সংকট থাকলেও গ্যাসের সংকট নেই। কিন্তু পাম্প কর্তৃপক্ষ সব সেবা বন্ধ রাখায় তারা গ্যাসও নিতে পারছেন না। কোনো আগাম নোটিশ ছাড়া পাম্প বন্ধ রাখায় তারা আয়ের পথ হারিয়ে পথে বসেছেন।

​তেল ও গ্যাসের দাবিতে চালকরা সড়কে গাছ ফেলে যান চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দিলে শুরু হয় সাধারণ যাত্রীদের ভোগান্তি। তীব্র গরমে বাসে ও খোলা রাস্তায় আটকে পড়া যাত্রীদের নাভিশ্বাস ওঠে। বিশেষ করে অসুস্থ রোগী ও জরুরি কাজে বের হওয়া সাধারণ মানুষ চরম বিপাকে পড়েন।

​খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে চালকদের শান্ত করার চেষ্টা করে। ট্রাফিক ইন্সপেক্টর (টিআই) আবু হানিফ জানান, পাম্প মালিকপক্ষের সাথে তাদের আলোচনা হয়েছে। মালিকপক্ষ আগামী এক ঘণ্টার মধ্যে পাম্প খুলে দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।

প্রশাসনের এই জোরালো আশ্বাসের প্রেক্ষিতে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চালকরা সড়ক থেকে গাছ সরিয়ে নেন। এরপর ধীরে ধীরে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করে।

পাম্পগুলোতে গ্যাসের সংকট না থাকা সত্ত্বেও কেন গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখা হলো—তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাধারণ শ্রমিকরা। অনেকে মনে করছেন, এটি কৃত্রিম সংকট তৈরির একটি অপচেষ্টা। মালিকপক্ষ দ্রুত পাম্প খুলে দেওয়ার কথা দিলেও জ্বালানি সরবরাহের নিয়মিত প্রবাহ নিশ্চিত না হলে আবারও বিক্ষোভের আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়