শিরোনাম
◈ ট্রাম্পের জন্য ‘বিশ্বাসের পরীক্ষা’: জব্দকৃত ২৪ বিলিয়ন ডলার ফেরত চায় ইরান ◈ বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক জোরদারে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে হাকান ফিদানের বৈঠক ◈ বিদ্যুৎ খাতে হযবরল, অলস সক্ষমতার বিপুল ভার মানুষের ওপর  ◈ মূল্যবৃদ্ধির চাপ ধনীদের ওপর, ৬৫ শতাংশ সাধারণ মানুষ সুরক্ষিত: তথ্যমন্ত্রী ◈ জুয়া নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দাদের বাড়তি ক্ষমতা, সন্দেহ হলেই তল্লাশি ও গ্রেপ্তার করতে পারবে, অপব্যবহারের আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের ◈ অনলাইন ঝড় থেকে রাজপথে: শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে দিল্লিতে ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র বিক্ষোভ, থাকছেন সোনম ওয়াংচুক-ও ◈ ১১ দলীয় জোটে আবার ভাঙনের গুঞ্জন, বেরিয়ে গেছে বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন, ১০ জুন আসতে পারে ঘোষণা ◈ পোষা বিড়াল কি বাড়ায় মানসিক রোগের ঝুঁকি? নতুন গবেষণায় আলোচনার ঝড়! ◈ দেশের বাজারে টানা দুই দফায় স্বর্ণের দাম কমেছে ভরিপ্রতি ৮ হাজার ৭৪৮ টাকা ◈ প্রথম সফরে মালয়েশিয়া কেন বেছে নিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান? : ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন

প্রকাশিত : ০১ এপ্রিল, ২০২৬, ০৭:৫৬ বিকাল
আপডেট : ০৫ জুন, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তাহিরপুরে সেতুর অভাবে ৫হাজার মানুষের দুর্ভোগ

নুর উদ্দিন, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি : সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলায় একটি সেতুর অভাবে যুগ যুগ ধরে চরম দুর্ভোগে রয়েছেন চারটি গ্রামের প্রায় ৫ হাজার মানুষ। শুকনো মৌসুমে কোনো রকমে বাঁশের চাটাই দিয়ে পায়ে হেঁটে চলাচল করা গেলেও বর্ষা এলে নৌকা ও ঝুঁকিপূর্ণ অস্থায়ী সাঁকোই হয়ে ওঠে একমাত্র ভরসা। এতে প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করতে হচ্ছে শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও চাকরিজীবীদের।

উপজেলার দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়নের রসুলপুর, টুকেরগাঁও, গোবিন্দপুর ও সংরামপুর গ্রামের বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে একটি স্থায়ী সেতুর দাবি জানিয়ে আসছেন। টুকেরগাঁওয়ের শ্রীশ্রী কালী মন্দির সংলগ্ন এলাকা ও টাকাটুকিয়ার মধ্যবর্তী বৌলাই নদীর শাখায় একটি সেতু নির্মাণ হলে এই দুর্ভোগ থেকে মুক্তি মিলবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চারটি গ্রামের বাসিন্দাদের উপজেলা সদর, হাসপাতাল কিংবা জেলা শহরে যেতে হলে বৌলাই নদী পার হতে হয়। নদীটি বড় না হলেও নিরাপদ পারাপারের কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা নেই। শুকনো মৌসুমে বাঁশের চাটাই বিছিয়ে কোনোভাবে চলাচল করা যায়, আর বর্ষাকালে নৌকাই একমাত্র ভরসা। স্থানীয়রা নিজেরাই বাঁশের সাঁকো তৈরি করলেও তা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ।

রসুলপুর গ্রামের বাসিন্দা রুবেল মিয়া ও সাইফুল ইসলাম রোকন জানান, চারটি গ্রামের অনেক শিক্ষার্থী প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নদী পার হয়ে স্কুল-কলেজে যায়। এতে অভিভাবকরাও সবসময় আতঙ্কে থাকেন। একটি সেতু নির্মাণ হলে তাদের এই দুশ্চিন্তা দূর হবে। পাশাপাশি কৃষকদের উৎপাদিত ধান, সবজি ও অন্যান্য পণ্য পরিবহন সহজ হবে।

স্থানীয় বাসিন্দা আলাউদ্দিন, জয়নাল ও কালাম মিয়া বলেন, বাঁশের সাঁকো দিয়ে পারাপারের সময় প্রায়ই শিক্ষার্থী ও বয়স্ক মানুষ পড়ে গিয়ে আহত হচ্ছেন। দীর্ঘদিন ধরে দাবি জানানো হলেও এখনো কোনো কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

দক্ষিণ বড়দল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী ইউনুস আলী বলেন, বর্ষা মৌসুমে এই চার গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ চরমে পৌঁছে। জনস্বার্থে এখানে দ্রুত একটি সেতু নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি।

এ বিষয়ে তাহিরপুর উপজেলা প্রকৌশলী জাহিদুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি খোঁজ নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের চেষ্টা করা হবে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়