শিরোনাম
◈ ব্রাজিলের জার্সির রঙ সাদা থেকে যেভাবে হলুদ হয়ে উঠলো  ◈ ৬ শিশুর প্রত্যেকের পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দেবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল ◈ জাতীয় সংসদের প্রথম বাজেট অধিবেশন শুরু, প্রশ্নোত্তর পর্ব চলছে ◈ পাঁচ সদস্যের সভাপতি মন্ডলীর নাম ঘোষণা ◈ বিশ্বকাপ প্রস্তু‌তি ম‌্যাচ, মে‌সি‌কে ছাড়াই হন্ডুরাসকে ২-০ গো‌লে হারালো আর্জেন্টিনা  ◈ একটি শিশুর ওপর নির্যাতন পুরো সমাজকে আহত করে: রামিসার রায়ে আদালতের বার্তা ◈ এআই ও প্রযুক্তিনির্ভর যুগে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুত হতে হবে: তারেক রহমান ◈ বালুবোঝাই ট্রাক উঠতেই ভেঙে পড়ল সেতু, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ ◈ ভালো ব্যাংকও রক্ষা পায়নি, ৬১ ব্যাংকের মধ্যে ৪৪টির অবস্থার অবনতি, বেড়েই চলেছে খেলাপি ঋণের পাহাড় ◈ ভারতে ডেটা সেন্টার খাতে ৩০ বিলিয়ন ডলারের বিশাল বিনিয়োগ করবেন বাংলাদেশি-অস্ট্রেলীয় ব্যবসায়ী রবিন খুদা!

প্রকাশিত : ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ০৭:৩৯ বিকাল
আপডেট : ০১ জুন, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কুড়িগ্রামে হুজুর কর্তৃক ১০ বছরের শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ

অনিরুদ্ধ রেজা, কুড়িগ্রামঃ কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলায় এক মাদ্রাসায় হুজুর কর্তৃক ১০ বছরের শিশু শিক্ষার্থীকে শারীরিক নির্যাতন ও বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। 

ঘটনাটি গত (৫ ফেব্রুয়ারি) বৃহস্পতিবার রাতে রাজারহাট উপজেলার নাজিম খান ইউনিয়নের বাছড়া বালাটারী তালিমুল কুরআন নুরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসায় ঘটে। 

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলা প্রেসক্লাব কুড়িগ্রামের একটি টিম বিষয়টি নিয়ে সরেজমিনে তদন্ত শুরু করলে ঘটনার সত্যতার প্রমাণ পায়। চাঞ্চল্যকর এ বলৎকারের ঘটনাকে ঘিরে ওই এলাকায় এখন নানা আলোচনা ও সমালোচনা সহ তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে।

সরেজমিনে তদন্তে জানা যায়, বাছড়া বালাটারী তালিমুল কুরআন নুরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসায় গভীর রাতে ওই মাদ্রাসার শিক্ষক হাফেজ মোঃ রাকিবুল ইসলামের হাতে ১০ বছরের শিশু শিক্ষার্থী হাফেজ পড়ুয়া মোজাহেদুল ইসলাম শারীরিক নির্যাতন ও বলাৎকারের শিকার হয়। পরে নির্যাতিত শিশুটি মাদ্রাসার কর্তৃপক্ষের কাছে বিচার দিলে মাদ্রাসা পরিচালক হাফেজ মোঃ আব্দুল্লাহ ইবনে সাঈদ (তারা) নির্যাতন ও বলাৎকারের বিষয়টা ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে এবং নিজে সহ উক্ত প্রতিষ্ঠানের কমিটি তড়িঘড়ি করে রাতের মধ্যে ধর্ষক হাফেজ মোঃ রাকিবুল ইসলামকে প্রতিষ্ঠান থেকে বিদায় করে দেয়। পরবর্তীতে হাফেজ মোঃ আব্দুল্লাহ ইবনে সাঈদ (তারা) তিনিও প্রতিষ্ঠান থেকে রহস্যময় কারণে পদত্যাগ করে চলে যায়। 

কিন্তু পরে তদন্তে বেরিয়ে আসে আসল রহস্য। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, হাফেজ মোঃ আব্দুল্লাহ ইবনে সাঈদ (তারা)ও এর আগে অন্য প্রতিষ্ঠানসহ অত্র প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটিয়েছেন বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা অভিযোগ করেন। বর্তমানে এ ঘটনায় মাদ্রাসা এলাকায় জল্পনা-কল্পনায় চাঞ্চল্যকর অবস্থা বিরাজ করছে।

ভুক্তভোগী হাফেজ পড়ুয়া মোজাহেদুল ইসলাম(১০) রাজারহাট উপজেলার উমর মজিদ ইউনিয়নের বালাকান্দি সরকার পাড়া গ্রামের মোঃ সাহেব আলীর পুত্র। বর্তমানে সে বাড়িতে সুস্থ আছে এবং মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে নির্যাতিতের পরিবার। 

ভুক্তভোগীর পরিবার আরও বলে, এই নেক্কারজনক ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে কঠিন শাস্তি ফাঁসির দাবি জানায়। যেন দেশে আর কেউ ভয়ে এ ধরনের ঘটনা পুনরায় ঘটাতে না পারে। 

উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে ধর্ষক হাফেজ মোঃ রাকিবুল ইসলাম ও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের হাফেজ মোঃ আব্দুল্লাহ ইবনে সাঈদ (তারা)'র বিরুদ্ধে এ ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনার কিছু রহস্যময় বিবৃতিও রয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়