শিরোনাম
◈ এবার লেবাননে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালানোর বার্তা ট্রাম্পের ◈ বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের বেড়া নির্মাণে মেঘালয়ের আপত্তি, গ্রামবাসীর প্রতিবাদ ◈ পুরোপুরি সুস্থ নন ইলিয়াস কাঞ্চন: কথা বলছেন, তবে জড়তা কাটেনি, স্বাস্থ্য নিয়ে নতুন তথ্য ◈ এমপিদের সরাসরি তহবিল বরাদ্দ বাতিল, প্রকল্প অনুমোদন দেবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ◈ পুলিশের দ্রুততম তদন্ত, আদালতের ছুটি বাতিল এই দৃষ্টান্তমূলক রায় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে ◈ ঢাকাকে যানজটমুক্ত করতে ‘জিরো সিগন্যাল’ মহাপরিকল্পনা, ব্যয় আড়াই হাজার কোটি টাকা ◈ পরিচালক‌দের ‌ভো‌টে তা‌মিম ইকবাল বিসিবির সভাপতি  ◈ সংসদে প্রতিশ্রুতি দিলে স্ট্যাডি করেই দেবেন: জ্বালানিমন্ত্রীকে স্পিকার (ভিডিও) ◈ ব্রাজিলের জার্সির রঙ সাদা থেকে যেভাবে হলুদ হয়ে উঠলো  ◈ ৬ শিশুর প্রত্যেকের পরিবারকে ৮০ লাখ টাকা করে দেবে আদ্-দ্বীন হাসপাতাল

প্রকাশিত : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৩৮ দুপুর
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রাঙামাটি থেকে মিজোরামে বেওয়ারিশ কুকুর পাচারের অভিযোগ

‎‎রাঙামাটির লংগদু উপজেলা থেকে বেওয়ারিশ কুকুর ধরে অবৈধভাবে সীমান্ত দিয়ে পাচারের অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে বিষয়টি নতুন করে সামনে আসে।

ভিডিওটিতে দেখা যায়, গলায় দড়ি বেঁধে টেনেহিঁচড়ে একের পর এক কুকুর বোটে তোলা হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রের দাবি, এসব কুকুর জবাই করে বিক্রি ও ভক্ষণ করার উদ্দেশ্যে পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের মিজোরাম রাজ্যে পাচার করা হচ্ছে। 

অভিযোগ রয়েছে, মিজোরামে পাংখোয়া জনগোষ্ঠীর একটি উৎসবকে কেন্দ্র করে এসব কুকুর বিক্রি করা হয় এবং প্রতিটি কুকুর ৭ হাজার থেকে ১০ হাজার রুপিতে বিক্রি হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে কয়েকজন ব্যক্তিকে নিয়মিতভাবে কুকুর ধরে নিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করতে দেখা গেছে।

‎স্থানীয়রা জানান, সীমান্তবর্তী এ জেলায় এর আগেও একাধিকবার একই ধরনের অভিযোগ উঠেছে। কয়েক বছর আগে রাঙামাটি শহর ও পৌর এলাকা থেকে প্রকাশ্যে কুকুর ধরে পাচারের ঘটনা সামনে এলে প্রশাসন অভিযান চালায়। এরপর থেকে শহর কেন্দ্রিক তৎপরতা কমলেও বর্তমানে চক্রটির টার্গেট হয়েছে দুর্গম উপজেলা ও সীমান্তঘেঁষা গ্রামগুলো।

‎এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তিকে প্রশাসনিক দুর্বলতা হিসেবে দেখছেন এলাকার বাসিন্দারা। তাদের মতে, কার্যকর নজরদারি ও সচেতনতামূলক উদ্যোগের অভাবেই এমন ঘটনা ঘটছে।

‎স্বাস্থ্যখাত সংশ্লিষ্টরা সতর্ক করে বলছেন, রাস্তার বেওয়ারিশ কুকুরের স্বাস্থ্যগত অবস্থা সম্পর্কে জানা না থাকায় এগুলোতে জলাতঙ্কসহ বিভিন্ন জুনোটিক রোগ থাকার ঝুঁকি থাকে। যথাযথ ভেটেরিনারি পরীক্ষা ছাড়া এসব প্রাণী জবাই ও ভক্ষণ করলে তা জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক হুমকি তৈরি করতে পারে।

রাঙামাটি জেলা ভেটেরিনারি হাসপাতালের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. দেবরাজ চাকমা বলেন, ‎শহরের বাস্তুতন্ত্রে কুকুর বর্জ্যভুক হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে এবং ইঁদুরসহ কিছু ক্ষতিকর প্রাণীর সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে। নির্বিচারে কুকুর নিধন হলে পরিবেশের স্বাভাবিক ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে।

‎অন্যদিকে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ মাঈনুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশ প্রাণিকল্যাণ আইন অনুযায়ী মালিকবিহীন কোনো প্রাণী হত্যা বা অপসারণ করা আইনগত দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ধরনের কর্মকাণ্ড জনস্বাস্থ্য, পরিবেশ ও আইনের শাসনের জন্য উদ্বেগজনক।

‎তবে এ বিষয়ে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সীমান্ত ও দুর্গম এলাকায় নজরদারি বাড়ানোর কথা বলা হলেও ক্যামেরার সামনে কেউ কথা বলতে রাজি হননি। 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়