শিরোনাম
◈ অবহেলা, প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে ড. ইউনূসসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন ◈ ইসলামী ব্যাংকে আস্থার সংকট: পাঁচ দিনে ইসলামী ব্যাংক থেকে উত্তোলন ৩৫০০ কোটি টাকা ◈ মামলা দায়েরের জন্য ১০ হাজার টাকা দাবি, লাশ নিয়ে থানা ঘেরাওয়ের পর এসআই প্রত্যাহার ◈ অস্ট্রেলিয়ার ভিসা ও চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে লাখো টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে প্রতারক চক্র, আবেদনকারীদের সতর্কবার্তা ◈ ব্যাংকিং খাতে নতুন শর্ত: নতুন ও পুরোনো হিসাবেও লাগবে টিআইএন, আসছে বাজেটে প্রস্তাব ◈ দেশের বিভিন্ন জেলায় ভুয়া কমিটি গঠন ও প্রচারের অভিযোগ, বিএনপির মিডিয়া সেলের সতর্কবার্তা ◈ ঘোড়ার মাংস খাওয়া নিয়ে জয়া আহসানের রিট, যে নির্দেশ দিলেন হাইকোর্ট ◈ প্রতি মাসেই কিছু কোম্পানি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে, আমিই তো ১০ হাজার কর্মী ছাঁটাই করব : শিল্পোদ্যোক্তা একে আজাদ (ভিডিও) ◈ সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর, আসছে নতুন বেতন কাঠামো, বাজেটে বরাদ্দ ৩৫ হাজার কোটি! ◈ বিশ্বকাপে নিয়ম না মেনে বাড়ির ছাদ, বারান্দা কিংবা জানালায় প্রিয় দেশের জাতীয় পতাকা উড়ালে ৪ লাখ টাকা জরিমানা!

প্রকাশিত : ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৯:৪৮ সকাল
আপডেট : ০৬ জুন, ২০২৬, ১২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তাহিরপুর সীমান্তে ২৪টি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ইলেকট্রিক ডেটনেটর উদ্ধার করল বিজিবি

সুনামগঞ্জের সীমান্ত এলাকা থেকে ২৪টি ইলেকট্রিক ডেটনেটর জাতীয় উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিস্ফোরক উদ্ধার করেছে বিজিবি।

দেশে বিদ্যমান স্থিতিশীল পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করতে এবং নাশকতা ঘটাতে এ ধরনের বিস্ফোরক দ্রব্যাদি চোরাচালানের মাধ্যমে বাংলাদেশে আনা হয়েছে বলে ধারণা বিজিবির। 

২৮ বিজিবি ব্যাটালিয়ন জানায়, শুক্রবার সকাল ৮টার দিকে গোপন সংবাদ পেয়ে সুনামগঞ্জ ব্যাটালিয়নের (২৮ বিজিবি)  আওতাধীন তাহিরপুর উপজেলার চারাগাঁও সীমান্তে তল্লাশি চালায় বিজিবির বিশেষ টহল দল। এ সময় সীমান্ত পিলার ১১৯৫/১-এস এর নিকট হতে আনুমানিক ৩০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মাইজহাটি এলাকায় পলিথিনে মোড়ানো ও গাছের ডালপালা দিয়ে আচ্ছাদিত অবস্থায় ২৪টি বিস্ফোরক জাতীয় ইলেকট্রিক ডেটনেটর উদ্ধার করে টহল দল। উদ্ধারকৃত ডেটনেটর ব্যবহার করে উচ্চ ক্ষমতা সম্পন্ন ইম্প্রভাইজ এক্সপ্লোসিভ ডিভাইস  (IED) প্রস্তুত করা সম্ভব বলে জানা যায়।
পরে এ নিয়ে ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলন করে বিজিবি। 

সুনামগঞ্জ ২৮ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক এ কে এম জাকারিয়া কাদির জানান, দেশে বিদ্যমান স্থিতিশীল পরিস্থিতিকে অস্থিতিশীল করার প্রয়াসে এবং নাশকতার উদ্দেশ্যে এ ধরনের বিস্ফোরক দ্রব্যাদি চোরাচালানের মাধ্যমে বাংলাদেশে আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সীমান্তের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বিধান, মাদকদ্রব্য ও অস্ত্রের অনুপ্রবেশ রোধ এবং অন্যান্য পণ্যের চোরাচালান রোধে বিজিবির গোয়েন্দা তৎপরতা, আভিযানিক কার্যক্রম ও সতর্ক অবস্থানের কারণেই এ ধরনের বিস্ফোরক দ্রব্যের চোরাচালান প্রতিহত করা সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতেও বিজিবির এ ধরনের তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

উদ্ধারকৃত বিস্ফোরকের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান তিনি৷ সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়