শিরোনাম
◈ রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প অনুভূত ◈ এবার লেবাননে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালানোর বার্তা ট্রাম্পের ◈ বাংলাদেশ সীমান্তে বিএসএফের বেড়া নির্মাণে মেঘালয়ের আপত্তি, গ্রামবাসীর প্রতিবাদ ◈ পুরোপুরি সুস্থ নন ইলিয়াস কাঞ্চন: কথা বলছেন, তবে জড়তা কাটেনি, স্বাস্থ্য নিয়ে নতুন তথ্য ◈ এমপিদের সরাসরি তহবিল বরাদ্দ বাতিল, প্রকল্প অনুমোদন দেবে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ◈ পুলিশের দ্রুততম তদন্ত, আদালতের ছুটি বাতিল এই দৃষ্টান্তমূলক রায় নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে ◈ ঢাকাকে যানজটমুক্ত করতে ‘জিরো সিগন্যাল’ মহাপরিকল্পনা, ব্যয় আড়াই হাজার কোটি টাকা ◈ পরিচালক‌দের ‌ভো‌টে তা‌মিম ইকবাল বিসিবির সভাপতি  ◈ সংসদে প্রতিশ্রুতি দিলে স্ট্যাডি করেই দেবেন: জ্বালানিমন্ত্রীকে স্পিকার (ভিডিও) ◈ ব্রাজিলের জার্সির রঙ সাদা থেকে যেভাবে হলুদ হয়ে উঠলো 

প্রকাশিত : ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০৯:১৪ সকাল
আপডেট : ২১ মে, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শহীদ মিনারে মুক্তিযুদ্ধের গ্রাফিতি মুছে 'বিয়েবাড়ির আলপনা': তীব্র সমালোচনার মুখে প্রশাসনের পদক্ষেপ

১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস। এ উপলক্ষে কক্সবাজার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের দেয়ালগুলোতে আগে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণমূলক গ্রাফিতি আঁকা থাকত। তবে এ বছর বিজয় দিবস উদযাপনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে শহীদ মিনার সাজাতে গিয়ে দেয়ালে থাকা সেই গ্রাফিতি মুছে বিয়েবাড়ির আদলে শৈল্পিক আলপনা আঁকা হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার বিজয় দিবস উপলক্ষে নতুন করে আঁকা এসব আলপনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনার সৃষ্টি হয়। অনেকেই এসব আলপনাকে ‘বিয়েবাড়ির সাজ’ বলে আখ্যা দেন। বিতর্কের মুখে পড়ে বিষয়টি নিয়ে তৎপর হয় জেলা প্রশাসন।

নতুন আলপনাগুলো দেখতে বিয়েবাড়ির বা বৈশাখী সাজের মতো হওয়ায় তা দ্রুত সবার নজরে আসে। মোবাইলে ধারণ করা ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে জেলার সাংস্কৃতিক ও সামাজিক অঙ্গনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।

সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সন্ধ্যার কিছু আগে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মী ও সাংস্কৃতিক কর্মী মানিক তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও শেয়ার করেন। ভিডিওতে তিনি বলেন, কক্সবাজার শহীদ মিনারে বিজয় দিবসের প্রস্তুতি ইতিমধ্যে সম্পন্ন করা হয়েছে, কিন্তু রংতুলিতে যে গ্রাফিতি আঁকা হয়েছে সেখানে মুক্তিযুদ্ধের কোন স্মৃতি নেই ।এটি আসলে দুঃখজনক, আমরা এর আগে দেখেছি এখানে মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন স্মৃতি-বাণী রাখা হয়েছিল।

যেখানে মন্তব্যের ঘরে রোকসানা আক্তার রক্সি নামে একজন লিখেছেন, মনে হচ্ছে বিয়ে বাড়ির কিংবা বৈশাখেরই আলপনা। কারা করেছে?

কাব্য সৌরভ নামে আরেকজন মন্তব্য করেন, এটা তো আলপনা মিনার হয়ে গেলো।

বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক জিনিয়া শারমিন রিয়া বলেন, এখানে এমন না যে বিয়ে হচ্ছে বা নববর্ষ পালন করা হচ্ছে, যে এভাবে আলপনা আকতে হবে।মুক্তিযুদ্ধ আমাদের অহংকার এখানে অবশ্যই প্রাসঙ্গিক কিছু থাকার দরকার ছিলো।

কক্সবাজার সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী নুরুল হাকিম বলেন, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস দেশের প্রতিটি প্রজন্মের কাছে গৌরবের, যারা এ সাজ-সজ্জায় জড়িত তাদের উচিত ছিলো এখানে সেই ইতিহাসকে প্রাধান্য দেয়া কিন্তু তা হয়নি উল্টো পরিবেশটাকে একরকম দৃষ্টিকটু করে ফেলা হয়েছে।

সমালোচনার পর সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে শহীদ মিনার পরিদর্শনে এসে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক এম এ মান্নান সংশ্লিষ্টদের আলপনাগুলো সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন।

জেলা প্রশাসক গণমাধ্যমকে বলেন, “আলপনাগুলো মুছে ফেলতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।”

রাত ৯টা থেকে দিকে প্রশাসনের উদ্যোগে শহীদ মিনারের দেয়ালগুলো লাল-সাদা কাপড়ে ঢেকে রঙ দিয়ে আলপনা মুছে ফেলার কাজ চলে।

সূত্র: ইত্তেফাক

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়