শিরোনাম
◈ নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফে অসন্তোষ, বিইআরসিকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ মন্ত্রণালয়ের ◈ ‘আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’, মায়ের মৃত্যু নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বুয়েট অধ্যাপক ◈ কুমির সরিয়ে নেওয়া ঠিক হয়নি, মাজারের দিঘিতে ফেরত চাইলেন খাদেম ◈ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ বিশ্বকাপ মোবাইলে খেলা দেখবেন যেভাবে ◈ ইরান অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা, আর ধারাবাহিক হামলা চালাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র: রুবিও ◈ স্বামী-সন্তান কানাডা প্রবাসী, সেই মিরপুরেই মিলল আরেক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ ◈ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সীমান্তে বিএসএফের ১০টি পুশইন অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ◈ অবশেষে পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান ◈ তাপপ্রবাহে পুড়ছে দেশ, দিনাজপুরে সর্বোচ্চ ৩৮.৫° সেলসিয়াস, আজও ঝড়-বৃষ্টির আভাস ◈ মার্কিন অবরোধের প্রভাব: ভিসা-মাস্টারকার্ড লেনদেন স্থগিতের ঘোষণা কিউবার

প্রকাশিত : ০৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০২:২৮ দুপুর
আপডেট : ০৩ জুন, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বেনাপোলে যশোর জেলা ছাত্রলীগ নেতাকে ধরে পুলিশে সোপর্দ

আইরিন হক, বেনাপোল (যশোর): যশোরের বেনাপোল সীমান্ত  থেকে ইমরান হোসেন নামে এক  ছাত্রলীগ নেতাকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করেছে স্থানীয়রা। ধারনা করা হচ্ছে ভারতে পালিয়ে যেতে সে সীমান্তে অবস্থান করছিল।

শুক্রবার(৫ সেপ্টম্বর) রাত ৮ টার দিকে স্থানীয় জনতা তাকে ধরে পুলিশে সোপর্দ করে। আটক ইমরান  যশোর শহরের বারান্দীপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও যশোর এমএম কলেজ ছাত্রলীগের দপ্তর সম্পাদক। 

এদিকে স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের দাবি, ইমরান বিএনপির খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলামের বাড়িতে বোমা হামলার সময় নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। একই সঙ্গে গত ৪ আগস্ট বিএনপির পার্টি অফিসে হামলার ঘটনাতেও তার সম্পৃক্ততা ছিল। এসব ঘটনার বিভিন্ন ফুটেজেও তাকে দেখা গেছে।

শুক্রবার রাতে ভবের বেড়ে তাকে সন্দেহজনকভাবে চলাচল করতে দেখে স্থানীয়রা প্রথমে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পরে এমএম কলেজের কয়েকজন সাধারণ শিক্ষার্থী তাকে চিনে ফেলেন। এক পর্যায়ে জড়ো হতে থাকে স্থানীয়রা ও বিএনপির নেতাকর্মীরা। এসময় তাকে আটকে রেখে বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। 

এ বিষয়ে বেনাপোল পোর্ট থানার অফিসার ইনচার্জ রাসেল মিয়া বলেন, ইমরানকে যশোর কোতোয়ালি থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তরের জন্য পাঠানো হয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, ০৫ আগস্টের পর বিভিন্ন অপরাধীরা ভারতে পালানোর জন্য দালাল চক্রের মাধ্যমে প্রথমে সীমান্তের পাশ্ববর্তী গ্রামে অবস্থান নেয়। পরে সুযোগ-সুবিধা বুঝে ওপারে রাজনৈতিক আশ্রয়ে চলে যাচ্ছে।  ইতিপূর্বে অবৈধ অনুপৈবেশের অভিযোগে বেশ কয়েকজন আটক হয়েছে। তবে বিভিন্ন জনকে ম্যানেজ করে অধিকাংশ পালিয়ে যাচ্ছে। 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়