শিরোনাম
◈ ‘আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’, মায়ের মৃত্যু নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বুয়েট অধ্যাপক ◈ কুমির সরিয়ে নেওয়া ঠিক হয়নি, মাজারের দিঘিতে ফেরত চাইলেন খাদেম ◈ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ বিশ্বকাপ মোবাইলে খেলা দেখবেন যেভাবে ◈ ইরান অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা, আর ধারাবাহিক হামলা চালাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র: রুবিও ◈ স্বামী-সন্তান কানাডা প্রবাসী, সেই মিরপুরেই মিলল আরেক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ ◈ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সীমান্তে বিএসএফের ১০টি পুশইন অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ◈ অবশেষে পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান ◈ তাপপ্রবাহে পুড়ছে দেশ, দিনাজপুরে সর্বোচ্চ ৩৮.৫° সেলসিয়াস, আজও ঝড়-বৃষ্টির আভাস ◈ মার্কিন অবরোধের প্রভাব: ভিসা-মাস্টারকার্ড লেনদেন স্থগিতের ঘোষণা কিউবার ◈ মেডিকেলের ছাত্রীরা বছরের পর বছর যৌন হয়রানির শিকার, কমপক্ষে ৩০ জনের অভিযোগ

প্রকাশিত : ০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫, ০৩:৪৮ দুপুর
আপডেট : ২৯ মে, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কোটালীপাড়ায় সরকারি জমি দখল করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মাণের অভিযোগ

প্রমথ রঞ্জন সরকার, কোটালীপাড়া (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় সরকারি জমি দখল করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসী এই সমস্ত ব্যবসার মালিকদের বিরুদ্ধে আইনী পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।

জানাগেছে, উপজেলার জটিয়ার বাড়ি থেকে ভাঙ্গারহাট বাজার পর্যন্ত বেড়িবাঁধের বিভিন্ন স্থানে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ দোকানঘর তুলে ব্যবসা পরিচালনা করছেন। অনেকে একাধিক দোকান ঘর তৈরি করে ভাড়া নিয়ে অর্থ উপার্জন করছেন।

জটিয়ার বাড়ি গ্রামের বেড়িবাঁধের শুরুর স্থানে সরকারি জমি দখল করে মাসুদ শেখ ১৩টি, শাহাদাৎ ঘরামী ৮টি, সেলিম গাজী ১টি, দেলোয়ার হোসেন ১টি, হাফিজ তালুকদার ১টি, আওলাদ হোসেন ৩টি, ফরিদ হোসেন ১টি, বাদল গাজী ১টি, জামাল গাজী ১টি এবং লায়েক মোল্লা ১টি দোকান ঘর নির্মাণ করেছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকার কয়েকজন ব্যক্তি বলেন, “উল্লেখিত ব্যক্তিরা এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় সরকারি জমি দখল করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করেছেন। তাদের আইনের আওতায় আনা প্রয়োজন।”

তারা আরও উল্লেখ করেন, ভাঙ্গারহাট এলাকায়ও অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তি বেড়িবাঁধের দু’পাশে সরকারি জমি দখল করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছেন। এ ধরনের দখলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ।

দখলদার আওলাদ হোসেন বলেন, “আমার তিনটি দোকানের কিছু অংশ বেড়িবাঁধের জায়গায় পড়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে জায়গা ছাড়ার নির্দেশ দিলে আমি তা পালন করব।”

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাসুম বিল্লাহ জানান, “সম্প্রতি আমরা অবদারহাট, ঘাঘরবাজার ও উপজেলা সদরে অভিযান চালিয়ে সরকারি জমি দখল মুক্ত করেছি। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়