শিরোনাম
◈ ৬ নবজাতকের মৃত্যুর দায় আদ্-দ্বীন হাসপাতালের : স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ নতুন বিদ্যুৎ ট্যারিফে অসন্তোষ, বিইআরসিকে পুনর্বিবেচনার অনুরোধ মন্ত্রণালয়ের ◈ ‘আমরা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত’, মায়ের মৃত্যু নিয়ে প্রথমবারের মতো মুখ খুললেন নিহতের ছোট ছেলে বুয়েট অধ্যাপক ◈ কুমির সরিয়ে নেওয়া ঠিক হয়নি, মাজারের দিঘিতে ফেরত চাইলেন খাদেম ◈ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ বিশ্বকাপ মোবাইলে খেলা দেখবেন যেভাবে ◈ ইরান অভিযানের সমাপ্তি ঘোষণা, আর ধারাবাহিক হামলা চালাচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র: রুবিও ◈ স্বামী-সন্তান কানাডা প্রবাসী, সেই মিরপুরেই মিলল আরেক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ ◈ গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের বিভিন্ন সীমান্তে বিএসএফের ১০টি পুশইন অপচেষ্টা রুখে দিয়েছে বিজিবি ◈ অবশেষে পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান ◈ তাপপ্রবাহে পুড়ছে দেশ, দিনাজপুরে সর্বোচ্চ ৩৮.৫° সেলসিয়াস, আজও ঝড়-বৃষ্টির আভাস

প্রকাশিত : ০৬ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৬:৩৫ বিকাল
আপডেট : ০৪ জুন, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ওসমান হাদির হত্যার পরিকল্পনাকারী কে এই বাপ্পি?

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যার পরিকল্পনাকারীর নাম প্রকাশ্যে এনেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। আজ মঙ্গলবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে তার নাম পরিচয় প্রকাশ করা হয়।

ওসমান হাদি হত্যা মামলায় ১৭ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পির পরিকল্পনায় ওসমান হাদিকে হত্যা করা হয়।

তিনি পল্লবী থানা যুবলীগের সভাপতি। এ ছাড়া বাপ্পি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ছয় নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর ছিলেন।

রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণেই শরীফ ওসমান হাদিকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ডিবি।

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, শ্যুটার ফয়সার করিম মাসুদ ওরফে রাহুল ওরফে দাউদ এবং তার সহযোগীকে পালাতে সহায়তা করেছিলেন পল্লবী থানা যুবলীগের সভাপতি এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ছয় নম্বর ওয়ার্ডের আওয়ামী লীগের কাউন্সিলর তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি।

তিনি বলেন, বিভিন্ন স্থান থেকে পাওয়া সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা এবং অস্ত্র ও গুলির ফরেনসিক পরীক্ষার মাধ্যমে আসামিদের সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ।

অভিযুক্ত ফয়সালের ভিডিও বার্তা নিয়ে শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ভিডিও বার্তা দিতেই পারে, কিন্তু তার বিরুদ্ধে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফসিল ঘোষণার পরদিন ১২ ডিসেম্বর ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স-কালভার্ট রোডে একটি চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে রিকশায় থাকা হাদিকে মাথায় গুলি করা হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় প্রথমে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে তাকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর এয়ার অ্যাম্বুল্যান্সে তাকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। তিন দিন পর ১৮ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়। ফয়সাল করিম মাসুদকে আসামি করে ১৪ ডিসেম্বর পল্টন থানায় হত্যাচেষ্টার মামলা করেন ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের। হাদি মারা যাওয়ার পর মামলাটি হত্যা মামলায় রূপ নেয়।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়